তিন সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার মধ্যেই লেবানন-এ ধারাবাহিক হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। শনিবারের এসব হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
ইসরাইলি বাহিনী লেবাননের বিভিন্ন অঞ্চলে বিমান হামলা ও সামরিক অভিযান চালানোর পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলের নয়টি শহর ও গ্রামের বাসিন্দাদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে আরও বড় ধরনের হামলার সতর্কতাও দেওয়া হয়েছে।
হামলায় নাবাতিয়েহ এলাকায় এক সিরীয় নাগরিক ও তার কন্যা নিহত হন। এছাড়া নাহরাইন, সাদিয়াত এবং হাবুশ এলাকায় পৃথক হামলায় আরও কয়েকজন প্রাণ হারান।
সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে সাকসাকিয়েহ গ্রামে। সেখানে ইসরাইলি হামলায় এক শিশুসহ অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেও এই সামরিক অভিযান নতুন করে লেবাননজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। বাস্তুচ্যুত হওয়ার নির্দেশে বহু মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন। এতে দেশটিতে মানবিক সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার মধ্যেই এ ধরনের হামলা যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে
ইসরাইলি বাহিনী লেবাননের বিভিন্ন অঞ্চলে বিমান হামলা ও সামরিক অভিযান চালানোর পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলের নয়টি শহর ও গ্রামের বাসিন্দাদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে আরও বড় ধরনের হামলার সতর্কতাও দেওয়া হয়েছে।
হামলায় নাবাতিয়েহ এলাকায় এক সিরীয় নাগরিক ও তার কন্যা নিহত হন। এছাড়া নাহরাইন, সাদিয়াত এবং হাবুশ এলাকায় পৃথক হামলায় আরও কয়েকজন প্রাণ হারান।
সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে সাকসাকিয়েহ গ্রামে। সেখানে ইসরাইলি হামলায় এক শিশুসহ অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেও এই সামরিক অভিযান নতুন করে লেবাননজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। বাস্তুচ্যুত হওয়ার নির্দেশে বহু মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন। এতে দেশটিতে মানবিক সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার মধ্যেই এ ধরনের হামলা যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে