কোরবানি ঈদের আগে মসলার বাজারে উল্টো রথ: সরবরাহ বাড়ায় কমছে দাম

আপলোড সময় : ১০-০৫-২০২৬ ১২:০৫:৪৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১০-০৫-২০২৬ ১২:০৫:৪৭ অপরাহ্ন
কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে সাধারণত মসলার বাজারে চাহিদা ও দাম বাড়লেও এবার দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। এলাচ, জিরা, জায়ফল, কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, কিসমিস ও আলু বোখারাসহ প্রায় সব ধরনের মসলার দাম কমেছে। একই সঙ্গে কমেছে বেচাকেনাও।

রাজধানীর বিভিন্ন পাইকারি মসলা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঈদ উপলক্ষে গরম মসলার বিক্রি চললেও ক্রেতার উপস্থিতি আগের তুলনায় কম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত দুই বছরের তুলনায় এবার বাজারে সরবরাহ বেশি থাকায় দাম কমেছে।

বর্তমানে চীনা দারুচিনি প্রতি কেজি ৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত বছর ছিল প্রায় ৩৬০ টাকা। অন্যদিকে ভিয়েতনামের আস্ত দারুচিনির দাম কেজিতে ৪২০ টাকা, যা গত বছর ছিল ৪৮০ টাকা।

তবে গোলমরিচের বাজারে দেখা গেছে কিছুটা ভিন্নতা। গত বছরের তুলনায় কালো গোলমরিচের দাম বেড়ে প্রতি কেজি এক হাজার ৩০ টাকায় উঠেছে। যদিও সাদা গোলমরিচের দাম কমে হয়েছে এক হাজার ২২০ টাকা।

ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে মানভেদে এলাচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি তিন হাজার ৮০০ থেকে পাঁচ হাজার ২০০ টাকায়। গত বছরের তুলনায় এ দাম কয়েকশ টাকা কম। মধ্যমানের ‘এলএমজি’ এলাচ এখন বিক্রি হচ্ছে চার হাজার ১০০ টাকায়, যা এক মাস আগেও ছিল বেশি।

এছাড়া ভারতীয় জিরা প্রতি কেজি ৫১৫ টাকা এবং আফগান জিরা ৬৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লবঙ্গ, জায়ফল, কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, কিসমিস ও অন্যান্য মসলার দামও সপ্তাহখানেক আগের তুলনায় কমেছে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় আমদানি বেড়েছে। ফলে বাজারে সরবরাহ বেশি এবং দামও কম। তবে বিক্রি আশানুরূপ না হওয়ায় অনেক ব্যবসায়ী লোকসানের মুখে পড়েছেন।

বাজারসংশ্লিষ্টরা আরও বলেন, ভারত থেকে অবৈধ পথে মসলা প্রবেশ করায় বৈধ আমদানিকারকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এতে সরকারও রাজস্ব হারাচ্ছে।

বেগম বাজার-মৌলভীবাজার বণিক সমিতির সভাপতি হাজী নজরুল ইসলাম বলেন, কোরবানির আগে অনেক ধরনের মসলার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এতে ব্যবসায়ীদের লাভের বদলে লোকসান গুনতে হচ্ছে।

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]