ইউরেনিয়াম লোডিং সম্পন্ন হওয়ার মাধ্যমে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনের অপারেশনাল ধাপে প্রবেশ করেছে। তবে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ এখনও রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রূপপুরে ব্যবহৃত থ্রি-প্লাস জেনারেশনের ভিভিইআর-১২০০ প্রযুক্তি বিশ্বের অন্যতম আধুনিক ও নিরাপদ পারমাণবিক প্রযুক্তি।
অতীতে চেরনোবিল ও ফুকুশিমার মতো দুর্ঘটনার কারণে পারমাণবিক বিদ্যুৎ নিয়ে মানুষের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হলেও রূপপুরের ডিজাইন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভিন্ন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, রূপপুরের প্রযুক্তি ২০১৫ সালের আধুনিক ডিজাইনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এখানে কোর ক্যাচার ও ডাবল কন্টেইনমেন্ট স্ট্রাকচারের মতো উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। রুশ প্রতিষ্ঠান রোসাটম জানিয়েছে, পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সুরক্ষিত রূপপুর পারমাণবিক চুল্লি থেকে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার কোনো ঝুঁকি নেই। এমনকি ঘূর্ণিঝড়, শক্তিশালী ভূমিকম্প, বন্যা কিংবা বিমান হামলার মতো পরিস্থিতিও বিবেচনায় রেখে কেন্দ্রটির নকশা করা হয়েছে। টারবাইন শপ অপারেশনের ডেপুটি ম্যানেজার সেগেই অ্যানোসিয়ান বলেন, আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়েছে এবং এতে উন্নত দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ব্যবস্থা সংযুক্ত রয়েছে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামও জানিয়েছেন, থ্রি-প্লাস জেনারেশনের প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অত্যন্ত কম। পাশাপাশি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হলেও আশপাশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শুধু উন্নত প্রযুক্তি নয়, দক্ষ পরিচালনা ও কার্যকর ব্যবস্থাপনাও পারমাণবিক নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী আগস্টে রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে। ধাপে ধাপে আগামী বছরের শেষ নাগাদ কেন্দ্রটির পূর্ণ ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতা চালু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
অতীতে চেরনোবিল ও ফুকুশিমার মতো দুর্ঘটনার কারণে পারমাণবিক বিদ্যুৎ নিয়ে মানুষের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হলেও রূপপুরের ডিজাইন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভিন্ন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, রূপপুরের প্রযুক্তি ২০১৫ সালের আধুনিক ডিজাইনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এখানে কোর ক্যাচার ও ডাবল কন্টেইনমেন্ট স্ট্রাকচারের মতো উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। রুশ প্রতিষ্ঠান রোসাটম জানিয়েছে, পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সুরক্ষিত রূপপুর পারমাণবিক চুল্লি থেকে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার কোনো ঝুঁকি নেই। এমনকি ঘূর্ণিঝড়, শক্তিশালী ভূমিকম্প, বন্যা কিংবা বিমান হামলার মতো পরিস্থিতিও বিবেচনায় রেখে কেন্দ্রটির নকশা করা হয়েছে। টারবাইন শপ অপারেশনের ডেপুটি ম্যানেজার সেগেই অ্যানোসিয়ান বলেন, আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়েছে এবং এতে উন্নত দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ব্যবস্থা সংযুক্ত রয়েছে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামও জানিয়েছেন, থ্রি-প্লাস জেনারেশনের প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অত্যন্ত কম। পাশাপাশি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হলেও আশপাশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শুধু উন্নত প্রযুক্তি নয়, দক্ষ পরিচালনা ও কার্যকর ব্যবস্থাপনাও পারমাণবিক নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী আগস্টে রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে। ধাপে ধাপে আগামী বছরের শেষ নাগাদ কেন্দ্রটির পূর্ণ ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতা চালু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।