ডেঙ্গু মূলত এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এই মশা সাধারণত পরিষ্কার জমে থাকা পানিতে জন্ম নেয় এবং দিনের বেলায় বেশি কামড়ায়। শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলক কম হওয়ায় তারা দ্রুত অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে।
শিশুরা বেশি ঝুঁকিতে
চিকিৎসকদের মতে, ডেঙ্গু আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে জ্বরের পাশাপাশি শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়া, বমি, খাওয়ায় অনীহা ও পানিশূন্যতার ঝুঁকি বেশি থাকে। সময়মতো চিকিৎসা না হলে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে।
মশার কামড় থেকে সুরক্ষা জরুরি
শিশুদের ফুলহাতা জামা ও লম্বা পোশাক পরানো, মশারি ব্যবহার এবং ঘরের দরজা-জানালায় নেট লাগানো যেতে পারে। এছাড়া শিশুদের খেলাধুলার স্থান পরিষ্কার রাখাও জরুরি।
বাসাবাড়ি পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন
ফুলের টব, টায়ার, ডাবের খোসা, এসির ট্রে কিংবা বাসার আশপাশে জমে থাকা পানিতে এডিস মশা জন্ম নিতে পারে। তাই নিয়মিত এসব স্থান পরিষ্কার করতে হবে এবং কোথাও পানি জমে থাকতে দেওয়া যাবে না।
জ্বর হলে দ্রুত চিকিৎসা
শিশুর জ্বর হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। নিজে থেকে ওষুধ না খাইয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।
সচেতনতাই বড় প্রতিরোধ
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিবার ও সমাজের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। শিশুদের নিরাপদ রাখতে হলে ঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি নিয়মিত মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রয়োজন।
উপসংহার
ডেঙ্গু এখন একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা। বিশেষ করে শিশুদের সুরক্ষায় পরিবারকে আরও বেশি সতর্ক হতে হবে। মশা নিয়ন্ত্রণ ও সচেতনতার মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।