কুমিল্লার দুর্গাপুর উত্তর ইউনিয়নে এক সহকারী ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জমি খারিজে অনিয়ম, ঘুষ গ্রহণ এবং বিপুল অবৈধ সম্পদ গড়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে বাধার মুখেও পড়তে হয়েছে এক গণমাধ্যমকর্মীকে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই কর্মকর্তা সেবা দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করেন এবং মোটা অংকের টাকা ছাড়া জমি খারিজের কাজ করেন না। স্থানীয়দের দাবি, তার কর্মকাণ্ডে ভূমি অফিসটি যেন দুর্নীতির কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের তথ্যমতে, আমতলী মৌজার একটি জমির নামজারির ক্ষেত্রে অনিয়মের মাধ্যমে জমির পরিমাণ বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে এই অনিয়ম করা হয়েছে, যার ফলে প্রকৃত মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
এলাকাবাসী আরও দাবি করেন, শতাংশ প্রতি নির্দিষ্ট অংকের ঘুষ ছাড়া ওই ভূমি অফিসে কোনো কাজই হয় না।
অভিযুক্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। বরং সংবাদ প্রকাশ ঠেকাতে বিভিন্ন মহলে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
অনুসন্ধানে তার নামে-বেনামে বিপুল সম্পদের তথ্যও সামনে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কোটি টাকার জমি, একাধিক ফ্ল্যাট ও মূল্যবান প্লট।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এবিএম মশিউজ্জামান বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি চাকরিতে থেকে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন বা দলিল জালিয়াতির প্রমাণ মিললে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।