প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সম্মানি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই ঘোষণা দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার শিশুদের শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের স্কুলব্যাগ, ড্রেস ও জুতা দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষকদের সম্মানি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার, জবাবদিহিমূলক সরকার। সেই কারণেই দ্রুততার সঙ্গে যেখানেই সমস্যা হোক ব্যবস্থা করতে চেষ্টা করেছি।
তিনি বলেন, বেশকিছু অঞ্চল ভারী বর্ষণে কৃষি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে নির্দেশনা দিয়েছিলাম, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করার জন্য। আমাদের প্রথম দায়িত্বই হচ্ছে, জনগণের দেখভাল করা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সংকটের তাপ বাংলাদেশেও লেগেছে। মানুষ কষ্ট পেয়েছে। এই সংকট নিরসনে বিরোধীদলের প্রস্তাব মেনে যৌথ কমিটি গঠন করেছি। উভয় পক্ষ বসে নিশ্চয় এই সমস্যা সমাধান করতে পারবো।
তারেক রহমান বলেন, বাধ্য হয়ে বিদেশে অনেকদিন থাকতে হয়েছে। এর আগে দেশে থাকতে দলীয় কাজে সারাদেশ সফর করেছি। তখন মনে হয়েছে, পরিকল্পনা সফল করতে হলে নারীদের অবজ্ঞা করে পেছনে ফেলে রাখলে দেশের উন্নয়ন হবে না। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ফ্রি করেছিলাম। স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ভালো ফলাফল করলে উপবৃত্তির ব্যবস্থা করা হবে।
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের টাকাকে ইনভেস্টমেন্ট হিসেবে দেখতে হবে। আর ইনভেস্ট করলে এর রিটার্ন আসবে। এর মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে ধীরে ধীরে সমৃদ্ধ করে তুলবো।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই ঘোষণা দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার শিশুদের শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের স্কুলব্যাগ, ড্রেস ও জুতা দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষকদের সম্মানি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার, জবাবদিহিমূলক সরকার। সেই কারণেই দ্রুততার সঙ্গে যেখানেই সমস্যা হোক ব্যবস্থা করতে চেষ্টা করেছি।
তিনি বলেন, বেশকিছু অঞ্চল ভারী বর্ষণে কৃষি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে নির্দেশনা দিয়েছিলাম, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করার জন্য। আমাদের প্রথম দায়িত্বই হচ্ছে, জনগণের দেখভাল করা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সংকটের তাপ বাংলাদেশেও লেগেছে। মানুষ কষ্ট পেয়েছে। এই সংকট নিরসনে বিরোধীদলের প্রস্তাব মেনে যৌথ কমিটি গঠন করেছি। উভয় পক্ষ বসে নিশ্চয় এই সমস্যা সমাধান করতে পারবো।
তারেক রহমান বলেন, বাধ্য হয়ে বিদেশে অনেকদিন থাকতে হয়েছে। এর আগে দেশে থাকতে দলীয় কাজে সারাদেশ সফর করেছি। তখন মনে হয়েছে, পরিকল্পনা সফল করতে হলে নারীদের অবজ্ঞা করে পেছনে ফেলে রাখলে দেশের উন্নয়ন হবে না। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ফ্রি করেছিলাম। স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ভালো ফলাফল করলে উপবৃত্তির ব্যবস্থা করা হবে।
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের টাকাকে ইনভেস্টমেন্ট হিসেবে দেখতে হবে। আর ইনভেস্ট করলে এর রিটার্ন আসবে। এর মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে ধীরে ধীরে সমৃদ্ধ করে তুলবো।