জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
চুক্তির আওতায় বিমান কিনবে ৮টি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, ২টি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং ৪টি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স উড়োজাহাজ। এসব উড়োজাহাজের তালিকামূল্য প্রায় ৩.৭ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা)।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত হয়।
বিমানের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও কায়জার সোহেল আহমেদ এবং বোয়িংয়ের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মিজ আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন উপস্থিত ছিলেন।
বিমান সূত্র জানিয়েছে, এ চুক্তির মাধ্যমে বিমানের বহর আধুনিকীকরণ, যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। প্রথম উড়োজাহাজ আসবে ২০৩১ সালের অক্টোবরে এবং ২০৩৫ সালের নভেম্বরের মধ্যে সবগুলো হস্তান্তর সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এটি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সাম্প্রতিককালের সবচেয়ে বড় বহর সম্প্রসারণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
চুক্তির আওতায় বিমান কিনবে ৮টি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, ২টি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং ৪টি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স উড়োজাহাজ। এসব উড়োজাহাজের তালিকামূল্য প্রায় ৩.৭ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা)।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত হয়।
বিমানের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও কায়জার সোহেল আহমেদ এবং বোয়িংয়ের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মিজ আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন উপস্থিত ছিলেন।
বিমান সূত্র জানিয়েছে, এ চুক্তির মাধ্যমে বিমানের বহর আধুনিকীকরণ, যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। প্রথম উড়োজাহাজ আসবে ২০৩১ সালের অক্টোবরে এবং ২০৩৫ সালের নভেম্বরের মধ্যে সবগুলো হস্তান্তর সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এটি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সাম্প্রতিককালের সবচেয়ে বড় বহর সম্প্রসারণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।