ন্যাটোর সঙ্গে ট্রাম্পের কূটনৈতিক টানাপোড়েনে জোটের বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন বন্ধের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে বেড়ে চলেছে জোটের অভ্যন্তরীণ উত্তেজনা। নাটকীয়তা কমিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্ব দিতে চায় সদস্য দেশগুলো। ২০২৮ সালের সম্মেলন নিয়েই সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা থেকে গেছে।
পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো এখন তাদের বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন বন্ধ বা কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে একাধিক কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যম। বর্তমানে প্রতি বছরই সদস্য দেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান বৈঠকে সাক্ষাৎ করলেও, ভবিষ্যতে এই নিয়ম পরিবর্তন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই আলোচনার পেছনে অন্যতম বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে জোটের ভেতরে চাপ ও রাজনৈতিক উত্তেজনা, বিশেষ করে ট্রাম্পের সময়কালে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন। প্রতিরক্ষা ব্যয়, সামরিক অভিযান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিয়ে বেশ কয়েকবার প্রকাশ্য মতবিরোধ দেখা গেছে।
গত কয়েক বছরে ন্যাটো সম্মেলনগুলো প্রায়ই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউরোপীয় দেশগুলোকে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর চাপ দিয়েছেন ট্রাম্প, আবার ইরান ইস্যুতে সামরিক অবস্থান নিয়েও হয়েছে মতবিরোধ।
এমনকি কিছু ক্ষেত্রে ন্যাটোর যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রে প্রশ্ন জোটের ভেতরে অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
সূত্রগুলো বলছে, কিছু সদস্য দেশ এখন বার্ষিকের বদলে দুই বছর পরপর সম্মেলনের পক্ষে মত দিচ্ছে। ২০২৮ সালে কোনো শীর্ষ সম্মেলন না করার বিষয়ও আলোচনায় আছে।
তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি এবং ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটের ওপরই বিষয়টি নির্ভর করছে বলে মনে করেন অনেকে।
পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো এখন তাদের বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন বন্ধ বা কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে একাধিক কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যম। বর্তমানে প্রতি বছরই সদস্য দেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান বৈঠকে সাক্ষাৎ করলেও, ভবিষ্যতে এই নিয়ম পরিবর্তন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই আলোচনার পেছনে অন্যতম বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে জোটের ভেতরে চাপ ও রাজনৈতিক উত্তেজনা, বিশেষ করে ট্রাম্পের সময়কালে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন। প্রতিরক্ষা ব্যয়, সামরিক অভিযান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিয়ে বেশ কয়েকবার প্রকাশ্য মতবিরোধ দেখা গেছে।
গত কয়েক বছরে ন্যাটো সম্মেলনগুলো প্রায়ই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউরোপীয় দেশগুলোকে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর চাপ দিয়েছেন ট্রাম্প, আবার ইরান ইস্যুতে সামরিক অবস্থান নিয়েও হয়েছে মতবিরোধ।
এমনকি কিছু ক্ষেত্রে ন্যাটোর যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রে প্রশ্ন জোটের ভেতরে অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
সূত্রগুলো বলছে, কিছু সদস্য দেশ এখন বার্ষিকের বদলে দুই বছর পরপর সম্মেলনের পক্ষে মত দিচ্ছে। ২০২৮ সালে কোনো শীর্ষ সম্মেলন না করার বিষয়ও আলোচনায় আছে।
তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি এবং ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটের ওপরই বিষয়টি নির্ভর করছে বলে মনে করেন অনেকে।