জাকার্তার কাছে ট্রেন সংঘর্ষে নিহত ১৪, ধ্বংসস্তূপে আটকে আরও যাত্রী

আপলোড সময় : ২৮-০৪-২০২৬ ১১:০১:৪৪ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ২৮-০৪-২০২৬ ১১:০১:৪৪ পূর্বাহ্ন

ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার নিকটবর্তী বেকাসি এলাকায় দুটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে দাঁড়িয়েছে, আহত হয়েছেন আরও কয়েক ডজন যাত্রী। দুর্ঘটনার পরও ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা যাত্রীদের উদ্ধারে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে, ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
 

কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার গভীর রাতে বেকাসি শহরের একটি রেলস্টেশনের কাছে একটি কমিউটার লাইন ট্রেন ও একটি দূরপাল্লার ট্রেনের মধ্যে এই সংঘর্ষ ঘটে। কমিউটার লাইন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের মুখপাত্র করিনা আমান্ডা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে জানান, দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকাজ শুরু হয় এবং মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত জরুরি সেবাকর্মীরা ঘটনাস্থলে সক্রিয়ভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
 

উদ্ধারকারী দলের এক কর্মকর্তা জানান, ধ্বংসাবশেষের নিচে অন্তত কয়েকজন যাত্রী জীবিত অবস্থায় আটকে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের উদ্ধারে বিশেষ সরঞ্জাম ব্যবহার করে অভিযান চালানো হচ্ছে। স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওচিত্রে আহতদের মেডিকেল ট্রলিতে সরিয়ে নিতে দেখা গেছে এবং উদ্ধারকারীদের ধ্বংসস্তূপ থেকে যাত্রীদের বের করার দৃশ্যও সামনে এসেছে।

ইন্দোনেশিয়ার প্রতিনিধি পরিষদের ডেপুটি স্পিকার সুফমি দাসকো আহমদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। জাকার্তা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নির্ধারণ করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
 

উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়ার গণপরিবহন খাতে দুর্ঘটনা নতুন নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরোনো অবকাঠামো, সীমিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা এ ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এর আগেও ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে চিকালেংকা এলাকায় দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে প্রাণহানি ও ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটেছিল, যা দেশটির রেল নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছিল।

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]