দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগামী ২৮ এপ্রিল (মঙ্গলবার) থেকে জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করবে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, প্রথম ধাপে কেন্দ্রটি থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। আগামী আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে এই বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে প্রথম ইউনিট থেকে ১১০০ মেগাওয়াট এবং একই বছরের সেপ্টেম্বর নাগাদ দ্বিতীয় ইউনিটসহ মোট ২২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট উপস্থিত থাকছেন না। তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী এবং রাশিয়ার উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, জ্বালানি লোডিংয়ের মাধ্যমে প্রকল্পটির বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হবে। চলতি বছরের শেষ বা আগামী বছরের শুরুতে প্রথম ইউনিট পূর্ণ সক্ষমতায় পৌঁছাতে পারে বলেও আশা করা হচ্ছে।
এর আগে গত ১৬ এপ্রিল বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) প্রথম ইউনিটের জন্য কমিশনিং লাইসেন্স প্রদান করে, যার ফলে জ্বালানি লোডিংয়ের পথ উন্মুক্ত হয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, প্রথম ধাপে কেন্দ্রটি থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। আগামী আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে এই বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে প্রথম ইউনিট থেকে ১১০০ মেগাওয়াট এবং একই বছরের সেপ্টেম্বর নাগাদ দ্বিতীয় ইউনিটসহ মোট ২২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট উপস্থিত থাকছেন না। তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী এবং রাশিয়ার উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, জ্বালানি লোডিংয়ের মাধ্যমে প্রকল্পটির বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হবে। চলতি বছরের শেষ বা আগামী বছরের শুরুতে প্রথম ইউনিট পূর্ণ সক্ষমতায় পৌঁছাতে পারে বলেও আশা করা হচ্ছে।
এর আগে গত ১৬ এপ্রিল বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) প্রথম ইউনিটের জন্য কমিশনিং লাইসেন্স প্রদান করে, যার ফলে জ্বালানি লোডিংয়ের পথ উন্মুক্ত হয়।