হকার পুনর্বাসনে ৬ খোলা মাঠ নির্ধারণ, নিবন্ধনের মাধ্যমে ব্যবস্থা: ডিএনসিসি

আপলোড সময় : ২৫-০৪-২০২৬ ০১:৫৬:৪৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৫-০৪-২০২৬ ০১:৫৬:৪৭ অপরাহ্ন

রাজধানীতে ফুটপাত দখল ও জনদুর্ভোগ কমাতে হকারদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এ লক্ষ্যে ৬টি খোলা মাঠ নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে নিবন্ধনের মাধ্যমে হকারদের স্থানান্তর করা হবে।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) গুলশানের একটি হোটেলে ‘ঢাকা কি মৃত নগরী হতে যাচ্ছে’ শীর্ষক আলোচনা সভায় ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান এ তথ্য জানান। সভাটির আয়োজন করে নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, আগে যেখানে ফুটপাতে প্রায় ২০০ হকার ছিল, বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় দুই হাজারে দাঁড়িয়েছে। ফলে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে হাসপাতালের সামনে অ্যাম্বুলেন্স চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে। অল্পসংখ্যক মানুষের কারণে অধিকাংশ নাগরিক ভোগান্তিতে পড়ছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

হকারদের জন্য নির্ধারিত স্থানগুলোতে স্থায়ী কোনো স্থাপনা করা যাবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, চৌকি বা ট্রলির মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে এবং প্রতিদিন শেষে তা সরিয়ে নিতে হবে। এতে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

নগর ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাব তুলে ধরে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, সাময়িক উদ্যোগ দিয়ে টেকসই সমাধান সম্ভব নয়। এজন্য সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা জরুরি।

তিনি আরও জানান, সিটি করপোরেশন, ওয়াসা, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংস্থাগুলোকে একটি সমন্বিত কর্তৃপক্ষের আওতায় আনা প্রয়োজন, যাতে নগর ব্যবস্থাপনায় কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত হয়।

আলোচনা সভায় রাজউক চেয়ারম্যান মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, নগর সেবাগুলো এক ছাতার নিচে আনা গেলে সমন্বয়হীনতা কমবে এবং সেবার মান বাড়বে। তথ্যের অভাবে অনেক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ব্যাহত হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি জানান, রাজধানীর যানজট নিরসনে পার্কিং স্পেস উদ্ধারে কাজ চলছে এবং গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি। পাশাপাশি পূর্বাচল প্রকল্প সক্রিয় করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

স্থপতি সুজাউল ইসলাম খান বলেন, পরিকল্পনা কাগজে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবায়ন জরুরি। তিনি অভিযোগ করেন, রাজধানীর অধিকাংশ সুবিধা একটি ক্ষুদ্র অংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও বস্তি এলাকায় তা পৌঁছায়নি।

ঢাকা ওয়াসার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর হাছিন আহমেদ জানান, বিভিন্ন স্থানে পানি শোধনাগার নির্মাণাধীন থাকলেও প্রশাসনিক জটিলতায় কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

সভায় বক্তারা টেকসই নগর উন্নয়নের জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা, তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]