ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মতপার্থক্য এখনো বড় আকারে রয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকেরা। চলমান উত্তেজনার মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইসলামাবাদ, মাস্কাট ও মস্কো সফর শুরু করেছেন। তার এ সফর সময়োপযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।
আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহামাদ এলমাসরি বলেন, সফরের মস্কো অংশটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তার মতে, তেহরান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে, বিশেষ করে জাতিসংঘে, রাশিয়ার সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, ইরানের উত্থাপিত ১০ দফা দাবির মধ্যে একটি হলো জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাব, যা ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো আগ্রাসন ঠেকাতে গ্যারান্টি দেবে।
এলমাসরি আরও জানান, সামরিক সহযোগিতার বিষয়টিও আলোচনায় থাকতে পারে। গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং অস্ত্র সরবরাহ সংক্রান্ত সম্ভাবনার কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
তবে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়লেও দুই পক্ষের মধ্যে বড় ধরনের সমঝোতার সম্ভাবনা আপাতত কম বলেই মনে করছেন তিনি। তার ভাষায়, “এই মুহূর্তে কোনো পক্ষই বড় ধরনের ছাড় দিতে প্রস্তুত নয়।”
আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহামাদ এলমাসরি বলেন, সফরের মস্কো অংশটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তার মতে, তেহরান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে, বিশেষ করে জাতিসংঘে, রাশিয়ার সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, ইরানের উত্থাপিত ১০ দফা দাবির মধ্যে একটি হলো জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাব, যা ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো আগ্রাসন ঠেকাতে গ্যারান্টি দেবে।
এলমাসরি আরও জানান, সামরিক সহযোগিতার বিষয়টিও আলোচনায় থাকতে পারে। গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং অস্ত্র সরবরাহ সংক্রান্ত সম্ভাবনার কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
তবে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়লেও দুই পক্ষের মধ্যে বড় ধরনের সমঝোতার সম্ভাবনা আপাতত কম বলেই মনে করছেন তিনি। তার ভাষায়, “এই মুহূর্তে কোনো পক্ষই বড় ধরনের ছাড় দিতে প্রস্তুত নয়।”