মালয়েশিয়ার একটি উপকূলীয় অঞ্চলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১ হাজার বাড়িঘর ভস্মীভূত হয়েছে। এই ঘটনায় ৯ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সময় রবিবার (১৯ এপ্রিল) ভোরে বোর্নিও দ্বীপের সান্দাকান জেলায় এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। এরপর কাঠের তৈরি সারিবদ্ধ ঘরগুলোতে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে জানিয়েছে দেশটির দমকল ও জরুরি উদ্ধার বিভাগ।
কর্মকর্তারা বলেন, প্রচণ্ড বাতাস এবং ঘরগুলোর পাশাপাশি অবস্থানের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এ ছাড়াও যাতায়াতের পথ দুর্গম হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দ্রুত পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি সেবাকর্মীদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।
অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া না গেলেও হাজার হাজার বাসিন্দা ঘরছাড়া হয়ে অস্থায়ী আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।
সমুদ্র উপকূলে অনানুষ্ঠানিকভাবে গড়ে ওঠা এই বসতিকে ‘ওয়াটার ভিলেজ’বলা হয়। এই গ্রাম মালয়েশিয়ার দরিদ্রতম রাজ্য সাবাহর উপকূলজুড়ে বিস্তৃত। দারিদ্র্যের কারণে গ্রামের অধিকাংশ মানুষ তাদের ঘরবাড়ি কাঠ ও অন্যান্য দাহ্য পদার্থ দিয়ে তৈরি করে থাকে। এখানকার বেশিরভাগ ঘরই মৌলিক অবকাঠামোবিহীন এবং একটার সঙ্গে আরেকটা প্রায় লাগোয়া। গ্রামের বেশিরভাগ বাসিন্দাই নিম্নআয়ের বা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর, যার মধ্যে আদিবাসী গোষ্ঠী এবং নাগরিকত্ববিহীন মানুষও রয়েছে।
গ্রামের প্রধান শরিফ হাশিম শরিফ ইতিং ডেইলি এক্সপ্রেস পত্রিকাকে বলেন, রান্নার আগুন থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। তবে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়।
মালেশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম জানান, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সংস্থাগুলো ত্রাণ বিতরণ করছে এবং তাৎক্ষণিক নানা সহায়তার ব্যবস্থা করেছে।
গত কয়েক বছরে সাবাহর ‘ওয়াটার ভিলেজ’গুলোতে বারবার অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। কর্তৃপক্ষ অনেক আগেই স্বীকার করেছে যে এসব বসতি আগুন ছড়িয়ে পড়ার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তবে সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা এখনও একটি প্রতিবন্ধকতা হিসেবেই রয়ে গেছে।
স্থানীয় সময় রবিবার (১৯ এপ্রিল) ভোরে বোর্নিও দ্বীপের সান্দাকান জেলায় এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। এরপর কাঠের তৈরি সারিবদ্ধ ঘরগুলোতে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে জানিয়েছে দেশটির দমকল ও জরুরি উদ্ধার বিভাগ।
কর্মকর্তারা বলেন, প্রচণ্ড বাতাস এবং ঘরগুলোর পাশাপাশি অবস্থানের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এ ছাড়াও যাতায়াতের পথ দুর্গম হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দ্রুত পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি সেবাকর্মীদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।
অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া না গেলেও হাজার হাজার বাসিন্দা ঘরছাড়া হয়ে অস্থায়ী আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।
সমুদ্র উপকূলে অনানুষ্ঠানিকভাবে গড়ে ওঠা এই বসতিকে ‘ওয়াটার ভিলেজ’বলা হয়। এই গ্রাম মালয়েশিয়ার দরিদ্রতম রাজ্য সাবাহর উপকূলজুড়ে বিস্তৃত। দারিদ্র্যের কারণে গ্রামের অধিকাংশ মানুষ তাদের ঘরবাড়ি কাঠ ও অন্যান্য দাহ্য পদার্থ দিয়ে তৈরি করে থাকে। এখানকার বেশিরভাগ ঘরই মৌলিক অবকাঠামোবিহীন এবং একটার সঙ্গে আরেকটা প্রায় লাগোয়া। গ্রামের বেশিরভাগ বাসিন্দাই নিম্নআয়ের বা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর, যার মধ্যে আদিবাসী গোষ্ঠী এবং নাগরিকত্ববিহীন মানুষও রয়েছে।
গ্রামের প্রধান শরিফ হাশিম শরিফ ইতিং ডেইলি এক্সপ্রেস পত্রিকাকে বলেন, রান্নার আগুন থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। তবে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়।
মালেশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম জানান, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সংস্থাগুলো ত্রাণ বিতরণ করছে এবং তাৎক্ষণিক নানা সহায়তার ব্যবস্থা করেছে।
গত কয়েক বছরে সাবাহর ‘ওয়াটার ভিলেজ’গুলোতে বারবার অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। কর্তৃপক্ষ অনেক আগেই স্বীকার করেছে যে এসব বসতি আগুন ছড়িয়ে পড়ার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তবে সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা এখনও একটি প্রতিবন্ধকতা হিসেবেই রয়ে গেছে।