ইউরেনিয়াম হস্তান্তর নিয়ে ট্রাম্পের দাবি নাকচ ইরানের: ‘এটি আমাদের কাছে মাটির মতোই পবিত্র’

আপলোড সময় : ১৮-০৪-২০২৬ ১২:০৪:১৯ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৮-০৪-২০২৬ ১২:২২:০৩ অপরাহ্ন
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর নিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক সংঘাত শুরু হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইরান কড়া ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে, তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত কোনো অবস্থাতেই দেশের বাইরে পাঠানো হবে না।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমাদের কাছে ইরানের মাটির মতোই পবিত্র। কোনো অবস্থাতেই এটি কোথাও হস্তান্তর করা হবে না।’

একই সুরে কথা বলেছেন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ি। তিনি আল জাজিরা মোবাশেরকে জানান, ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠানোর কোনো প্রতিশ্রুতি তেহরান দেয়নি। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শূন্যে নামিয়ে আনা বা পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করার যেকোনো প্রস্তাব তেহরানের জন্য একটি ‘কৌশলগত রেড লাইন’।

এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান তাদের সমস্ত ইউরেনিয়াম মজুত আমেরিকার হাতে তুলে দিতে রাজি হয়েছে। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, ‘ইউএসএ সমস্ত পারমাণবিক ধূলি হাতে পাবে।’

ট্রাম্প আরও জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা বর্তমানে ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে। তবে তিনি একটি কঠোর সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছেন। ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি অনুযায়ী, আগামী বুধবারের মধ্যে কোনো চূড়ান্ত চুক্তি না হলে তিনি বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়াবেন না। পাশাপাশি ইরানি বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ-অবরোধও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন।

আগামী বুধবারের সময়সীমা যত এগিয়ে আসছে, আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তত বাড়ছে। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠেয় দ্বিতীয় দফার বৈঠকের দিকেই এখন সবার নজর। ইরানের অনড় অবস্থান এবং ট্রাম্পের আল্টিমেটাম মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিকে এক নতুন সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]