মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল সংগ্রহ করার সাম্প্রতিক আহ্বানের পর বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে বড় ধরনের আলোড়ন তৈরি হয়েছে। হোয়াইট হাউসের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গতকাল পর্যন্ত মোট ১৬৭টি অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাঙ্কার যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে মার্কিন তেলের আধিপত্য বিস্তারে প্রেসিডেন্টের এই আহ্বানকে কেন্দ্র করে বিশাল এক নৌ-বহর এখন মার্কিন উপকূলের দিকে এগোচ্ছে।
হোয়াইট হাউসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই ১৬৭টি জাহাজের মধ্যে ১০৩টিই বর্তমানে সম্পূর্ণ খালি। এই জাহাজগুলো মূলত মার্কিন বন্দর থেকে অপরিশোধিত তেল লোড করার লক্ষ্য নিয়ে সেদিকে পাড়ি জমিয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই নৌ-বহরের মধ্যে ৫৪টি হলো 'ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার' বা ভিএলসিসি (VLCC)। প্রতিটি ভিএলসিসি প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহনে সক্ষম। অর্থাৎ, এই বিশাল জাহাজগুলো একযোগে কয়েক কোটি ব্যারেল তেল বিশ্ববাজারে সরবরাহ করার সক্ষমতা রাখে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানিয়েছে, ইউরোপীয় পতাকাবাহী ২০টি এবং এশীয় পতাকাবাহী ২০টি খালি ট্যাঙ্কারসহ আরও অসংখ্য জাহাজ সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে তাদের মালামাল খালাস করে এখন মেক্সিকো উপসাগরের দিকে যাত্রা করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা এবং হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনার মাঝে বিশ্ববাজার এখন বিকল্প ও নিরাপদ জ্বালানি উৎস হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ঝুঁকছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ মার্কিন অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক হলেও তা আন্তর্জাতিক তেলের রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোর মার্কিন তেলের ওপর এই ক্রমবর্ধমান নির্ভরতা বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে ওয়াশিংটনের প্রভাবকে আরও সুসংহত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
(সূত্র: হোয়াইট হাউস)
হোয়াইট হাউসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই ১৬৭টি জাহাজের মধ্যে ১০৩টিই বর্তমানে সম্পূর্ণ খালি। এই জাহাজগুলো মূলত মার্কিন বন্দর থেকে অপরিশোধিত তেল লোড করার লক্ষ্য নিয়ে সেদিকে পাড়ি জমিয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই নৌ-বহরের মধ্যে ৫৪টি হলো 'ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার' বা ভিএলসিসি (VLCC)। প্রতিটি ভিএলসিসি প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহনে সক্ষম। অর্থাৎ, এই বিশাল জাহাজগুলো একযোগে কয়েক কোটি ব্যারেল তেল বিশ্ববাজারে সরবরাহ করার সক্ষমতা রাখে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানিয়েছে, ইউরোপীয় পতাকাবাহী ২০টি এবং এশীয় পতাকাবাহী ২০টি খালি ট্যাঙ্কারসহ আরও অসংখ্য জাহাজ সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে তাদের মালামাল খালাস করে এখন মেক্সিকো উপসাগরের দিকে যাত্রা করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা এবং হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনার মাঝে বিশ্ববাজার এখন বিকল্প ও নিরাপদ জ্বালানি উৎস হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ঝুঁকছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ মার্কিন অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক হলেও তা আন্তর্জাতিক তেলের রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোর মার্কিন তেলের ওপর এই ক্রমবর্ধমান নির্ভরতা বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে ওয়াশিংটনের প্রভাবকে আরও সুসংহত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
(সূত্র: হোয়াইট হাউস)