চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবুধাবি থেকে আসা দুই যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট ও পাঁচটি দামী স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাত সোয়া ১০টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে (BG-128) আসা মোহাম্মদ আরাফাত ও মোহাম্মদ রায়হান নামের দুই যাত্রীর কাছ থেকে এসব পণ্য উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত ৬৩০ কার্টন সিগারেটের আনুমানিক বাজারমূল্য ১২ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
বিমানবন্দর কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, এনএসআই চট্টগ্রামের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস শাখা ও কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। যাত্রীদের ব্যাগেজ তল্লাশির একপর্যায়ে সিগারেটের বড় চালানের পাশাপাশি একটি আইফোন (মূল্য ৩০ হাজার টাকা) এবং চারটি স্যামসাং ফোন (মূল্য ৬০ হাজার টাকা) উদ্ধার করা হয়।
বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, জব্দ করা পণ্যগুলো ডিএম মূলে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
আটককৃত দুই যাত্রীকে কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স ও কাস্টমস শাখা থেকে মৌখিকভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যের অবৈধ প্রবেশ রোধ এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে এনএসআই ও কাস্টমস সহ সকল সংস্থার কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবেই এই বিশাল চালানটি ধরা সম্ভব হয়েছে।
উদ্ধারকৃত ৬৩০ কার্টন সিগারেটের আনুমানিক বাজারমূল্য ১২ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
বিমানবন্দর কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, এনএসআই চট্টগ্রামের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস শাখা ও কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। যাত্রীদের ব্যাগেজ তল্লাশির একপর্যায়ে সিগারেটের বড় চালানের পাশাপাশি একটি আইফোন (মূল্য ৩০ হাজার টাকা) এবং চারটি স্যামসাং ফোন (মূল্য ৬০ হাজার টাকা) উদ্ধার করা হয়।
বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, জব্দ করা পণ্যগুলো ডিএম মূলে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
আটককৃত দুই যাত্রীকে কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স ও কাস্টমস শাখা থেকে মৌখিকভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যের অবৈধ প্রবেশ রোধ এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে এনএসআই ও কাস্টমস সহ সকল সংস্থার কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবেই এই বিশাল চালানটি ধরা সম্ভব হয়েছে।