স্ট্রবেরি একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ফল, যা বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হলেও বাংলাদেশে এখনও তেমন বেশি প্রচলিত নয়। তবে এর পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতার কারণে দিন দিন এ ফলের চাহিদা বাড়ছে। লাল রঙের এই আকর্ষণীয় ফলটি শুধু স্বাদেই নয়, বরং পুষ্টিগুণেও ভরপুর।
পুষ্টিবিদদের মতে, স্ট্রবেরিতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার এবং বিভিন্ন খনিজ উপাদান রয়েছে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে এবং ত্বককে সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতে ভূমিকা রাখে। স্ট্রবেরিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও শরীরের জন্য সহায়ক। এতে থাকা ফাইবার পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে কার্যকর হতে পারে। কম ক্যালোরিযুক্ত হওয়ায় এটি ওজন নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক একটি ফল হিসেবে বিবেচিত।
ত্বকের যত্নেও স্ট্রবেরির ব্যবহার রয়েছে। এতে থাকা ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বককে সতেজ রাখতে সহায়ক হতে পারে। অনেকেই প্রাকৃতিক ফেসপ্যাক হিসেবেও স্ট্রবেরি ব্যবহার করেন।
খুব বেশি প্রচলিত না হলেও, বাংলাদেশেও এখন স্ট্রবেরি চাষ সম্ভব হচ্ছে। দেশের কিছু অঞ্চলে কৃষকরা পরীক্ষামূলকভাবে এবং বাণিজ্যিকভাবে স্ট্রবেরি চাষ শুরু করেছেন। সঠিক পরিচর্যা, উন্নত জাতের চারা এবং উপযুক্ত আবহাওয়া নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশেও স্ট্রবেরি চাষ লাভজনক হতে পারে। ইতোমধ্যে কিছু কৃষক সফলভাবে স্ট্রবেরি উৎপাদন করে বাজারে সরবরাহ করেছেন।
সরকারি সহায়তা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান বৃদ্ধি করা গেলে স্ট্রবেরি চাষ দেশের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে। এতে কৃষকদের আয় বাড়ার পাশাপাশি ভোক্তারাও পুষ্টিকর এই ফল সহজে পেতে পারবেন।