রংপুরে জ্বালানি সংকটে নতুন ব্যবস্থা: আঙুলে কালি দিয়ে দেওয়া হচ্ছে তেল

আপলোড সময় : ০৪-০৪-২০২৬ ১০:৫৯:১৩ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৪-০৪-২০২৬ ১০:৫৯:১৩ অপরাহ্ন

রংপুরের তারাগঞ্জে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় মোটরসাইকেল চালকদের আঙুলে কালি দিয়ে চিহ্নিত করে তেল সরবরাহের একটি নতুন পদ্ধতি চালু করেছে উপজেলা প্রশাসন। একাধিকবার তেল সংগ্রহ ঠেকাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা স্থানীয়ভাবে আলোচনা তৈরি করেছে।
 

শনিবার (৪ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার সোনালি ফিলিং স্টেশন ও বালাবাড়ি এরিস্ট্রোক্র্যাট ফিলিং স্টেশনে সকাল থেকেই মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি। তেল নেওয়ার আগে প্রতিটি চালকের জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই এবং যানবাহনের কাগজপত্র পরীক্ষা করা হচ্ছে। এরপর আঙুলে কালি দিয়ে চিহ্নিত করার পর নির্ধারিত পরিমাণ জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে।
 

সংশ্লিষ্টদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি সরবরাহ কমে যাওয়ায় চাহিদার তুলনায় সংকট তৈরি হয়েছে। এ সুযোগে কিছু অসাধু চক্র একাধিকবার লাইনে দাঁড়িয়ে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করে মজুদ বা বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করছিল। নতুন এই ব্যবস্থায় সেই প্রবণতা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
 

পাম্প কর্তৃপক্ষ জানায়, আগে একই ব্যক্তি বারবার তেল নিতে পারায় প্রকৃত চালকরা বঞ্চিত হতেন। এখন আঙুলে কালি দেওয়ার ফলে একাধিকবার তেল নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না, ফলে তুলনামূলকভাবে ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত হচ্ছে।
 

তবে সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া মিশ্র। অনেক চালক বলছেন, সংকটের সময় এটি কার্যকর হলেও দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হচ্ছে। অন্যদিকে কেউ কেউ মনে করছেন, এটি সাময়িক সমাধান; দীর্ঘমেয়াদে সংকট কাটাতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করা জরুরি।
 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোনাব্বর হোসেন জানান, সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, চালকদের এনআইডি ও যানবাহনের কাগজ যাচাই করে আঙুলে কালি দেওয়া হচ্ছে, যাতে একই ব্যক্তি একাধিকবার তেল নিতে না পারেন। এতে ইতোমধ্যে ইতিবাচক ফল পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

 
 
 

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]