পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর কাছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি শক্তিশালী এ-১০ ওয়ার্টহগ (A-10 Warthog) যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিধ্বস্ত হওয়ার আগে বিমানটির পাইলট নিরাপদে ইজেক্ট করতে সক্ষম হয়েছেন এবং তাকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় মার্কিন বাহিনীর নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। মূলত একটি উদ্ধার অভিযানে সহায়তাকালে বিমানটি ইরানি হামলার শিকার হয় বলে দাবি করেছে এবিসি নিউজ।
বিস্তারিত তথ্যানুযায়ী, বিধ্বস্ত হওয়া এই এ-১০ থান্ডারবোল্ট টু বিমানটি মূলত একটি এফ-১৫ই (F-15E) স্ট্রাইকার যুদ্ধবিমানের পাইলটদের উদ্ধারে সহায়তা করছিল। ঠিক সেই সময়েই এটি ইরানি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরও বিমানটি কোনোভাবে কুয়েত সীমান্ত পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হয়, তবে শেষ রক্ষা হয়নি। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, আজকের দিনটি ইরানের প্রতিরক্ষা ইতিহাসের অন্যতম সফল দিন হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। একই দিনে আমেরিকার দুটি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান (F-15E ও A-10) এবং একটি ব্ল্যাকহক সামরিক হেলিকপ্টার ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষার কবলে পড়ে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। উল্লেখ্য, এ-১০ বিমানটি ‘উড়ন্ত ট্যাংক’ নামে পরিচিত এবং এটি ৩০ মিমি কামানের সাহায্যে মিনিটে ৩,৯০০ রাউন্ড ফায়ার করে যেকোনো সাঁজোয়া যান ধ্বংস করতে সক্ষম।
(সূত্র: নিউ ইয়র্ক টাইমস ও এবিসি নিউজ)