মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর ইরান যুদ্ধ নিয়ে সাম্প্রতিক ভাষণকে নতুন কোনো দিকনির্দেশনা নয়, বরং আগের অবস্থানের পুনরাবৃত্তি হিসেবে মূল্যায়ন করেছে CNN। বিশ্লেষণে বলা হয়, তিনি মূলত চলমান যুদ্ধের পক্ষে জনসমর্থন জোগাড়ের চেষ্টা করেছেন, যদিও সংঘাত শুরুর পর এক মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান ও তাদের মিত্রদের দীর্ঘদিনের সহিংস কর্মকাণ্ডের জবাব হিসেবেই এই যুদ্ধ শুরু করা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেয়া হবে না। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানকে বড় ধরনের সাফল্য হিসেবে তুলে ধরে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন কিছু অর্জন করেছে যা আগে খুব কমই দেখা গেছে।
তবে ভাষণে যুদ্ধের সময়সীমা বা সমাপ্তি কৌশল নিয়ে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেননি ট্রাম্প। তিনি শুধু উল্লেখ করেন, প্রধান কৌশলগত লক্ষ্যগুলো প্রায় অর্জিত হয়েছে এবং প্রয়োজনে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আরও কঠোর হামলা চালানো হতে পারে। কিন্তু স্থলবাহিনী মোতায়েন, ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামো নিয়ন্ত্রণ বা আঞ্চলিক কৌশলগত পথগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি নির্দিষ্ট কিছু বলেননি।
এর আগে যে কূটনৈতিক অগ্রগতির কথা তিনি উল্লেখ করেছিলেন, সেই ক্ষেত্রেও নতুন কোনো অগ্রগতি তুলে ধরা হয়নি। বরং প্রয়োজনে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় হামলার হুমকি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে, যা সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ভাষণ মূলত নীতিগত অবস্থান পুনর্ব্যক্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকেছে এবং যুদ্ধের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা থেকেই গেছে, যা আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।