শিশু টিকায় বড় সংকট: ৬ ধরনের ভ্যাকসিনের মজুত শেষ, ঝুঁকিতে লাখো শিশু

আপলোড সময় : ৩১-০৩-২০২৬ ১১:২৬:৩২ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ৩১-০৩-২০২৬ ১১:৫৫:২২ পূর্বাহ্ন

দেশে প্রতি বছর ৪০ লাখের বেশি শিশুর জন্ম হয়, যাদের সুরক্ষায় জন্মের পর থেকে ১৫ মাস বয়স পর্যন্ত ১২টি রোগ প্রতিরোধে নয় ধরনের টিকা দেওয়া হয়। তবে বর্তমানে এসব টিকার মধ্যে ৬ ধরনের ভ্যাকসিনের কেন্দ্রীয় মজুত ফুরিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

সংকটে থাকা টিকাগুলোর মধ্যে রয়েছে হাম-রুবেলা, পোলিও, যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ডিপথেরিয়া-ধনুষ্টার এবং হেপাটাইটিস-বি। যদিও স্বাস্থ্য অধিদফতরের দাবি, মাঠ পর্যায়ে এখনো এসব টিকার কিছু সরবরাহ রয়েছে।

জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর স্বাস্থ্য অধিদফতরের অপারেশনাল প্ল্যান (ওপি) বাতিল হওয়ায় টিকাদান কর্মসূচিতে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অনেক শিশু নির্ধারিত টিকা থেকে বঞ্চিত হয় এবং টিকাদানের হার কমে যায়।

পরবর্তীতে পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার প্রায় এক হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ দেয়, যার মধ্যে শিশুদের টিকার জন্য রাখা হয় ৮৪২ কোটি টাকা। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, টিকা সরাসরি কেনার পাশাপাশি টেন্ডারের মাধ্যমেও সংগ্রহ করার কথা ছিল। তবে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতায় এই প্রক্রিয়া শেষ করতে সময় লেগে যায়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান জানান, আগে টিকাগুলো সরাসরি ইউনিসেফ থেকে কেনা হতো। কিন্তু পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে অর্ধেক টিকা ইউনিসেফ এবং অর্ধেক ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে কেনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়, যা বাস্তবায়নে জটিলতা তৈরি করেছে।

তিনি আরও বলেন, সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের ফলে বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়নি, যার ফল এখন ভোগ করতে হচ্ছে। বর্তমানে আবারও সরাসরি ক্রয়ের বিষয়ে পরিকল্পনা চলছে। এটি বাস্তবায়ন হলে সংকটপূর্ণ এলাকাগুলোতে দ্রুত টিকা সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

এদিকে সারাদেশে হামের প্রকোপ বাড়তে শুরু করেছে। প্রতিদিন নতুন আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে, যা জনস্বাস্থ্য নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]