গণভোট অধ্যাদেশ পাসের প্রয়োজন নেই, কার্যকারিতা শেষ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপলোড সময় : ৩০-০৩-২০২৬ ০১:৩৬:৫৯ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ৩০-০৩-২০২৬ ০১:৩৬:৫৯ অপরাহ্ন

সদ্য সমাপ্ত গণভোট যে অধ্যাদেশের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেটির কার্যকারিতা শেষ হয়ে যাওয়ায় তা নতুন করে বিল আকারে সংসদে পাস করার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, যেহেতু অধ্যাদেশটির লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে এবং গণভোট সম্পন্ন হয়েছে, তাই এটি নিয়ে নতুন আইনের কোনো সার্থকতা নেই।

 

​স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যাখ্যা করে বলেন, সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অধ্যাদেশগুলো সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে সেগুলোর ভাগ্য নির্ধারণ করতে হয়। তবে গণভোট অধ্যাদেশটি ছিল একটি বিশেষ উদ্দেশ্যের জন্য। তিনি বলেন, "এই অধ্যাদেশের কাজ তো শেষ। এটি সংবিধানের স্থায়ী কোনো অংশ ছিল না। তাই একে পুনরায় অনুমোদন দিয়ে আইন বানানোর কোনো অর্থ হয় না।"

 

​বিশেষ কমিটির বৈঠকে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে জানিয়ে সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, অনেকগুলো অধ্যাদেশ বর্তমান আকারেই পাস হবে এবং কিছু সংশোধিত আকারে বিল হিসেবে আসবে। তবে ১০ এপ্রিলের মধ্যে সব বিল আনা সম্ভব না হলে সেগুলো পরবর্তী অধিবেশনে উত্থাপন করা হবে। নির্ধারিত ৩০ দিনের সময়সীমা পার হলে যেসব অধ্যাদেশ বিল আকারে আসবে না, সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল (ল্যাপস) হয়ে যাবে। তবে সীমানা নির্ধারণ বা আরপিও-র মতো বিষয়গুলো, যেগুলোর ভবিষ্যৎ প্রভাব আছে, সেগুলোকে অবশ্যই আইনে পরিণত করা হবে বলে তিনি জানান।

 

​বৈঠকে বিরোধী দলীয় সদস্যদের ভিন্নমত বা 'নোট অফ ডিসেন্ট' প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, প্রতিবেদনে তাদের বক্তব্য যথাযথভাবে প্রতিফলিত হবে এবং বিল উত্থাপনের সময় সবাই মতামত দেওয়ার সুযোগ পাবেন। আগামী ২ এপ্রিল বিশেষ কমিটির এই রিপোর্ট জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]