চলমান সংঘাত বন্ধে তিনটি স্পষ্ট শর্ত সামনে এনেছে ইরান। দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হলে আন্তর্জাতিক মহলকে নির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। এসব শর্ত পূরণ না হলে সংঘাত বন্ধ করা কঠিন বলে সতর্ক করেছে তেহরান।
ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রথমত চলমান হামলা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতিতে যেতে হবে।
দ্বিতীয়ত, বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ জোরদার করতে হবে এবং মানবিক সহায়তা অবাধভাবে পৌঁছানোর সুযোগ দিতে হবে।
তৃতীয়ত, দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার জন্য একটি রাজনৈতিক সমাধানের রূপরেখা নিয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনা শুরু করতে হবে।
ইরানি কর্মকর্তারা দাবি করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সামরিক পদক্ষেপের পরিবর্তে কূটনৈতিক উদ্যোগই সংঘাত নিরসনের একমাত্র কার্যকর পথ হতে পারে। তাদের মতে, যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে তা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য আরও বড় ঝুঁকি তৈরি করবে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের এই অবস্থান কূটনৈতিক আলোচনার নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এসব শর্ত কতটা গ্রহণ করবে, সেটিই এখন মূল প্রশ্ন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রথমত চলমান হামলা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতিতে যেতে হবে।
দ্বিতীয়ত, বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ জোরদার করতে হবে এবং মানবিক সহায়তা অবাধভাবে পৌঁছানোর সুযোগ দিতে হবে।
তৃতীয়ত, দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার জন্য একটি রাজনৈতিক সমাধানের রূপরেখা নিয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনা শুরু করতে হবে।
ইরানি কর্মকর্তারা দাবি করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সামরিক পদক্ষেপের পরিবর্তে কূটনৈতিক উদ্যোগই সংঘাত নিরসনের একমাত্র কার্যকর পথ হতে পারে। তাদের মতে, যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে তা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য আরও বড় ঝুঁকি তৈরি করবে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের এই অবস্থান কূটনৈতিক আলোচনার নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এসব শর্ত কতটা গ্রহণ করবে, সেটিই এখন মূল প্রশ্ন হিসেবে দেখা হচ্ছে।