রাজধানী ঢাকায় অভিযান চালিয়ে মানুষের ৪৭টি মাথার খুলি ও বিপুল পরিমাণ মানব হাড় উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় একটি সংঘবদ্ধ কঙ্কাল পাচারকারী চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে, দেশের বিভিন্ন জেলার কবরস্থান থেকে মরদেহের কঙ্কাল তুলে এনে রাজধানীতে এনে সেগুলো বিক্রি করত চক্রটি। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সম্প্রতি রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অভিযানে একটি বাসা ও গুদামঘর সদৃশ স্থান থেকে ৪৭টি মানব খুলি এবং অন্যান্য মানব হাড়গোড় উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাস্থল থেকেই কঙ্কাল সংগ্রহ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করা হয়। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, চক্রটির সদস্যরা দেশের বিভিন্ন জেলার কবরস্থান থেকে পুরোনো কবর খুঁড়ে মানব কঙ্কাল সংগ্রহ করত। পরে সেগুলো রাজধানীতে এনে মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে বিক্রি করা হতো। প্রতিটি মানব খুলি ও কঙ্কাল কয়েক হাজার টাকায় বিক্রি করা হতো বলে জানিয়েছে তদন্তসংশ্লিষ্টরা।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া কঙ্কালগুলো কোথায় সরবরাহ করা হতো এবং এর সঙ্গে অন্য কোনো চক্র জড়িত আছে কি না—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো চিকিৎসা শিক্ষায় ব্যবহার বা অবৈধ বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং এই পাচারচক্রের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, দেশে মাঝে মধ্যেই মানব কঙ্কাল পাচারের ঘটনা সামনে আসে। চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণার জন্য মানব কঙ্কালের চাহিদা থাকলেও অবৈধভাবে কবরস্থান থেকে কঙ্কাল সংগ্রহ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। সাম্প্রতিক এই ঘটনায় রাজধানীতে এমন অপরাধচক্রের উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ঘটনাস্থল থেকেই কঙ্কাল সংগ্রহ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করা হয়। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, চক্রটির সদস্যরা দেশের বিভিন্ন জেলার কবরস্থান থেকে পুরোনো কবর খুঁড়ে মানব কঙ্কাল সংগ্রহ করত। পরে সেগুলো রাজধানীতে এনে মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে বিক্রি করা হতো। প্রতিটি মানব খুলি ও কঙ্কাল কয়েক হাজার টাকায় বিক্রি করা হতো বলে জানিয়েছে তদন্তসংশ্লিষ্টরা।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া কঙ্কালগুলো কোথায় সরবরাহ করা হতো এবং এর সঙ্গে অন্য কোনো চক্র জড়িত আছে কি না—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো চিকিৎসা শিক্ষায় ব্যবহার বা অবৈধ বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং এই পাচারচক্রের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, দেশে মাঝে মধ্যেই মানব কঙ্কাল পাচারের ঘটনা সামনে আসে। চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণার জন্য মানব কঙ্কালের চাহিদা থাকলেও অবৈধভাবে কবরস্থান থেকে কঙ্কাল সংগ্রহ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। সাম্প্রতিক এই ঘটনায় রাজধানীতে এমন অপরাধচক্রের উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।