রমজানের শেষ দশক কেন এত ফজিলতপূর্ণ?

আপলোড সময় : ০৯-০৩-২০২৬ ১২:৪৪:৫৯ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৯-০৩-২০২৬ ১২:৫৭:০৬ অপরাহ্ন
পবিত্র রমজান মাসের শেষ দশক মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ সময়। এই সময়টিকে বিশেষভাবে ইবাদত-বন্দেগির জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে, কারণ ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী এই দশকের মধ্যেই রয়েছে মহিমান্বিত লাইলাতুল কদর—যে রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। তাই বিশ্বের মুসলমানরা এই সময় বেশি বেশি নামাজ, দোয়া, কোরআন তিলাওয়াত ও নফল ইবাদতে মনোনিবেশ করেন।

ইসলামের নবী মুহাম্মদ (সা.) রমজানের শেষ দশকে ইবাদতে বিশেষ গুরুত্ব দিতেন। হাদিসে বর্ণিত আছে, এ সময় তিনি রাত জেগে ইবাদত করতেন, পরিবারকেও ইবাদতে উৎসাহিত করতেন এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য অধিক সময় ব্যয় করতেন। মুসলমানদের জন্য এটি আত্মশুদ্ধি, ক্ষমা প্রার্থনা ও আল্লাহর রহমত লাভের এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হয়।

রমজানের শেষ দশকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো লাইলাতুল কদর, যার কথা উল্লেখ রয়েছে পবিত্র কুরআন-এ। ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী এই রাতে আল্লাহর রহমত, বরকত ও ক্ষমা বিশেষভাবে নাজিল হয়। কুরআনে বলা হয়েছে, এই রাত “হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।” তাই মুসলমানরা বিশেষভাবে ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯ রমজানের রাতগুলোতে বেশি ইবাদত করার চেষ্টা করেন।

এই সময় অনেক মুসল্লি মসজিদে ইতিকাফ পালন করেন। ইতিকাফ হলো নির্দিষ্ট সময় মসজিদে অবস্থান করে আল্লাহর ইবাদতে মনোনিবেশ করা। এর মাধ্যমে মানুষ দুনিয়াবি ব্যস্ততা থেকে দূরে থেকে আত্মিক উন্নতি ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন। ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, রমজানের শেষ দশক মানুষের আত্মিক উন্নতি, পাপ থেকে ফিরে আসা এবং আল্লাহর ক্ষমা লাভের এক বিশেষ সুযোগ। তাই মুসলমানদের কাছে এই সময়টি অত্যন্ত মূল্যবান ও মহিমান্বিত হিসেবে বিবেচিত।

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]