রোজা একটি ইবাদত যা স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। রোজা রাখলে শরীরের মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং হজম প্রক্রিয়া সহজ হয়। খাদ্যাভাস ও খাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অতিরিক্ত খাবারের ক্ষতি কমানো যায়।
গবেষণায় দেখা গেছে, রোজা রাখলে রক্তে শর্করার মাত্রা ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে। এটি হৃদরোগ, স্থূলতা এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। এছাড়া রোজার সময় দেহের ফ্যাট ব্যবহার বাড়ে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
রোজা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। খাওয়ার ও পানীয়ের সময় সীমিত হওয়ায় মন ও দেহকে নিয়ন্ত্রণ করার অভ্যাস গড়ে ওঠে। এটি ধৈর্য, সহিষ্ণুতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি করে, যা মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে।
রোজা শরীরকে ডিটক্সিফিকেশনের সুযোগ দেয়। দীর্ঘ সময় পর্যন্ত খাওয়া বন্ধ থাকায় হজম প্রক্রিয়া বিশ্রাম পায় এবং দেহের টক্সিন দূর হয়। সুস্থ ও সতেজ দেহের জন্য ডিটক্সিফিকেশন এর প্রয়োজনীয়তা অনেক।
সুতরাং রোজা এমন এক আধ্যাত্মিক অভ্যাস নয়, এটি স্বাস্থ্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। সঠিকভাবে রোজা পালন ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করলে শরীর ও মন উভয়ই সুস্থ থাকে এবং দৈনন্দিন জীবন আরও কার্যকর হয়।