পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজনীয়তা: সুস্থ শরীর ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য কেন জরুরি

আপলোড সময় : ০৮-০২-২০২৬ ০৫:০১:২৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৮-০২-২০২৬ ০৫:০১:২৭ অপরাহ্ন
পর্যাপ্ত ঘুম মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য একটি মৌলিক প্রয়োজন। ঘুমের সময় শরীর নিজেকে পুনর্গঠন করে, ক্লান্তি কাটায় এবং পরদিনের কাজের জন্য শক্তি সঞ্চয় করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়—যার প্রভাব পড়ে কর্মক্ষমতা, মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি এবং দৈনন্দিন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতার ওপর। ঘুমের ঘাটতি দীর্ঘদিন চলতে থাকলে ক্লান্তি, মাথাব্যথা, বিরক্তি, অলসতা এবং মানসিক অস্থিরতা দেখা দিতে পারে, যা ব্যক্তি ও পারিবারিক জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
শুধু শারীরিক বিশ্রাম নয়, ঘুম মানুষের মস্তিষ্কের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে একদিকে যেমন পড়াশোনা ও অফিসের কাজের মান কমে যায়, অন্যদিকে উদ্বেগ, হতাশা এবং রাগের প্রবণতাও বাড়তে পারে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী এবং যাদের নিয়মিত মনোযোগ ধরে রেখে কাজ করতে হয়—তাদের জন্য ঘুমের ঘাটতি আরও বেশি ক্ষতিকর। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, রাতে ঠিকমতো না ঘুমালে দিনভর মাথা ভারী লাগে, কাজে ভুল হয় এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রার গতি কমে যায়।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সাধারণভাবে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমকে আদর্শ বলে মনে করেন, যদিও বয়স ও ব্যক্তিভেদে প্রয়োজন কিছুটা কম-বেশি হতে পারে। পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করতে রাতে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস, ঘুমের আগে মোবাইল বা স্ক্রিন টাইম কমানো, অতিরিক্ত চা-কফি এড়িয়ে চলা এবং ঘুমের পরিবেশ শান্ত রাখা জরুরি। পাশাপাশি, অনিয়মিত জীবনযাপন ও রাত জাগার অভ্যাস যতটা সম্ভব নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত। কারণ নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম শুধু শরীরকে সতেজ রাখে না—বরং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, মানসিক স্থিতি এবং সার্বিক জীবনমান উন্নত করতেও বড় ভূমিকা রাখে।

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]