নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতায় আন্তর্জাতিক নজরদারি: সতর্কবার্তা ইউএনডিপি প্রতিনিধির

আপলোড সময় : ০২-০২-২০২৬ ১০:৪৭:৪৯ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ০২-০২-২০২৬ ১০:৫০:৪৭ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচন ঘিরে গণমাধ্যমের ভূমিকা কেবল জাতীয় সীমানায় সীমাবদ্ধ নেই, বরং এর আন্তর্জাতিক প্রভাব অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার। তার মতে, নির্বাচনের আখ্যান বা ‘ইলেকটোরাল ন্যারেটিভ’ এখন কূটনৈতিক সম্পর্ক, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পরিপক্বতা পরিমাপের মাপকাঠি হিসেবে কাজ করছে। আজ রাজধানীতে কূটনৈতিক সাংবাদিকদের জন্য আয়োজিত এক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

 

​স্টেফান লিলার গুরুত্বারোপ করেন যে, বাংলাদেশের সাংবাদিকদের প্রতিটি প্রতিবেদন বিশ্বজুড়ে কূটনীতিক, পর্যবেক্ষক এবং উন্নয়ন সহযোগীরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। ফলে ভুল তথ্য বা পক্ষপাতদুষ্ট সংবাদ অনিচ্ছাকৃতভাবে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে এবং আন্তর্জাতিক মহলে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অপপ্রচার ও ঘৃণাত্মক বক্তব্যের ঝুঁকি মোকাবিলায় সাংবাদিকদের তথ্যের সততা বজায় রাখা অপরিহার্য। লিলার সাফ জানিয়ে দেন, "নিরাপদ সাংবাদিকতা মানেই নিরাপদ নির্বাচন।"

 

​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) ও এমআরডিআই-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে লিলার আরও বলেন, নির্বাচনকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দলিল ও এসডিজি ১৬-এর লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী উপস্থাপন করতে হবে। একইসাথে তিনি নারী প্রার্থী ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল হয়রানি রুখতে গণমাধ্যমকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা ও অপপ্রচার রোধ করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরিতে সংবাদপত্রের দায়বদ্ধতা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি। 

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]