বাংলাদেশে আধিপত্যবাদ কিংবা ভিনদেশি হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, অতীতে যেভাবে বিভিন্ন পক্ষ দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলিয়েছে, ভবিষ্যতে তা আর হতে দেওয়া হবে না।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে পাবনার এডওয়ার্ড কলেজ মাঠে এক নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। বক্তব্যে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যারা নির্যাতিত ও বঞ্চিত হয়েছেন, তাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েই তিনি জনগণের সামনে দাঁড়িয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনে জনগণকে ফ্যাসিবাদের শেকড় উপড়ে ফেলার আহ্বান জানান তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেন, সাড়ে তিন কোটি সদস্যের সংগঠন জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দখলদারি, দুর্নীতি বা মামলা-বাণিজ্যের কোনো দৃষ্টান্ত নেই। বরং একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে সারাদেশে তাদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা ও নিপীড়ন চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, অতীতে যাদের কর্মকাণ্ডে সংগঠনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। জামায়াত বরাবরই প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সরকার গঠনের সুযোগ পেলে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত চক্রগুলো ভেঙে দেওয়া হবে—এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আসন্ন নির্বাচনে ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী না হলে দেশে আবারও ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে।
জনসভায় তিনি নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান, যাতে কেউ আচরণবিধি লঙ্ঘনের সুযোগ না পায়।