ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বাদামতলা এলাকায় মাইক্রোবাস, ভ্যান ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে মুক্তার হোসাইন (৪০) নামে এক পল্লী চিকিৎসক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ-মাগুরা মহাসড়কে সংঘটিত এই দুর্ঘটনায় আরও দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত মুক্তার হোসাইন জেলার শৈলকুপা উপজেলার লক্ষনদিয়া গ্রামের আলিবর্দি শেখের ছেলে। স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হলেও চিকিৎসককে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসক মুক্তার হোসাইন সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ শহর থেকে মোটরসাইকেলে করে তার আত্মীয়কে নিয়ে নিজ গ্রামের দিকে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে বাদামতলা নামক স্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী মাইক্রোবাস এবং একটি ভ্যানের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলটির সংঘর্ষ ঘটে। এতে তিনটি যানের আরোহীরাই সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুক্তার হোসাইনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্য দুইজনের চিকিৎসা একই হাসপাতালে চলছে।
ঝিনাইদহের আরাপপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে তিনি জানান, মাইক্রোবাসটির বেপরোয়া গতির কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত যানগুলো শনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে এবং এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। উল্লেখ্য, শীতকালীন কুয়াশা ও বেপরোয়া গতির কারণে সাম্প্রতিক সময়ে এই মহাসড়কটিতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে বলে স্থানীয়রা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।