২১ বছরের রেকর্ড ভাঙল হাড়কাঁপানো শীত; চলতি মাসেই আসছে ৫টি শৈত্যপ্রবাহ

আপলোড সময় : ০৪-০১-২০২৬ ১০:২৯:৩৩ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ০৪-০১-২০২৬ ১০:২৯:৩৩ পূর্বাহ্ন
গত দুই দশকের রেকর্ড ভেঙে দেশে জেঁকে বসেছে অস্বাভাবিক শীত। দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধান অবিশ্বাস্যভাবে কমে আসায় রাজধানীসহ সারাদেশে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২১ বছরের ইতিহাসে দিনরাতের তাপমাত্রার পার্থক্য এবারের মতো এত কম আর কখনো দেখা যায়নি। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলা সূর্যের তাপ ভূপৃষ্ঠে পৌঁছাতে না পারায় শীতের এই তীব্রতা অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, চলতি জানুয়ারি মাসজুড়েই শীতের এই দাপট অব্যাহত থাকবে এবং সামনে আরও অন্তত পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা রয়েছে। এর মধ্যে এক থেকে দুটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহে তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে।
 
গতকাল শনিবার রাতে আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন নেসা জানান, ২০০৪ সালে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য ছিল ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কিন্তু এবার তা আরও কমে মাত্র ১.৭ ডিগ্রিতে দাঁড়িয়েছে। এই অস্বাভাবিক পরিবর্তনই মূলত হাড়কাঁপানো শীতের প্রধান কারণ। এদিকে, গতকাল রাজধানীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে উত্তরাঞ্চলের নওগাঁ, পাবনা ও রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, আগামী সাত দিন এই পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত কুয়াশা কাটার সম্ভাবনা কম।
 
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা থাকতে পারে। এর ফলে বিমান চলাচল, নৌ-পরিবহন ও সড়ক যোগাযোগ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে রাজশাহী, যশোর, কুষ্টিয়া ও নীলফামারীসহ বেশ কিছু জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ঘন কুয়াশা ও কনকনে বাতাসের কারণে শৈত্যপ্রবাহের এই এলাকাগুলোতে শীতের অনুভূতি আরও প্রকট হতে পারে। সাধারণ মানুষকে প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না আসার এবং উষ্ণ সতর্কতা বজায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। (সূত্র: আমার দেশ)

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]