ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযান এবং প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বন্দি করার ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চীন। বেইজিং এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন এবং একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের ওপর অনাকাঙ্ক্ষিত আগ্রাসন হিসেবে অভিহিত করেছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের এই বলপ্রয়োগের নীতি কেবল একটি দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে না, বরং সমগ্র অঞ্চলের শান্তির জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। চীনের মতে, যেকোনো দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকট আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হওয়া উচিত, সামরিক হস্তক্ষেপে নয়।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই ঘটনার প্রভাব ব্যাপক হতে শুরু করেছে। চীনের পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র যদি অবিলম্বে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ না করে, তবে তা বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এর আগে রাশিয়া ও জাতিসংঘের পক্ষ থেকেও একই ধরনের উদ্বেগের কথা জানানো হয়েছিল। বিশেষ করে চীন ও রাশিয়ার মতো পরাশক্তিগুলোর অবস্থান ভেনেজুয়েলা ইস্যুতে ওয়াশিংটনকে আন্তর্জাতিক চাপে ফেলবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
অন্যদিকে, কারাকাসে মার্কিন বিশেষ বাহিনী ‘ডেল্টা ফোর্স’-এর অভিযানের পর দেশটির তেল ও খনিজ সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যে বিতর্ক শুরু হয়েছে, চীনের এই প্রতিবাদ তাতে নতুন মাত্রা যোগ করল। বেইজিং পরিষ্কারভাবে জানিয়েছে, তারা ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে এবং ওয়াশিংটনকে একতরফা সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানাচ্ছে।
(সূত্র: বিবিসি, আল জাজিরা )
(সূত্র: বিবিসি, আল জাজিরা )