ওসমানের খুনিদের ভারতে গ্রেপ্তারের খবর নিয়ে ঢাকা ও মেঘালয় পুলিশের পাল্টাপাল্টি দাবি

আপলোড সময় : ২৮-১২-২০২৫ ১০:৩৭:০৯ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৮-১২-২০২৫ ১০:৩৭:০৯ অপরাহ্ন
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্তদের ভারতে গ্রেপ্তার হওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) দাবি করেছে যে, মূল সন্দেহভাজন ফয়সাল করিমের দুই সহযোগীকে মেঘালয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মেঘালয় পুলিশ ও বিএসএফ এই দাবি নাকচ করে দিয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে মেঘালয় পুলিশের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, এ ধরনের কোনো গ্রেপ্তারের ঘটনা সেখানে ঘটেনি।
 
রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম জানান, অনানুষ্ঠানিক (ইনফরমাল) মাধ্যমে যোগাযোগ করে তারা জানতে পেরেছেন যে, পুত্তি ও তার স্বামীকে মেঘালয় পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। ডিএমপির তদন্ত অনুযায়ী, ফয়সাল ও তার সহযোগীরা ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে এবং বর্তমানে মেঘালয়ের পুরা নামক শহরে অবস্থান করছে। পুলিশ আরও জানায়, সীমান্ত পারাপারে তাদের স্থানীয় প্রভাবশালী চক্র সহায়তা করেছে।
 
অন্যদিকে, মেঘালয় পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দাবি করেছেন, বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ করা হয়নি। এমনকি গারো পাহাড় এলাকায় অভিযুক্ত কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি বলেও তিনি জানান। বিএসএফের মেঘালয় ফ্রন্টিয়ারের প্রধান ওপি উপাধ্যায় ডিএমপির দাবিকে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর আখ্যা দিয়ে বলেন, হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে কোনো অনুপ্রবেশের প্রমাণ তাদের কাছে নেই। তবে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে বর্তমানে সর্বোচ্চ নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
 
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজ শেষে ফেরার পথে রাজধানীর বক্স কালভার্ট রোডে হামলার শিকার হন শরিফ ওসমান বিন হাদি। মোটরসাইকেলে আসা ফয়সাল করিম ও তার সহযোগীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় পল্টন থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা বর্তমানে তদন্তাধীন। 

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]