সংখ্যালঘু ইস্যুতে ভারতের মন্তব্যকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান বাংলাদেশের

আপলোড সময় : ২৮-১২-২০২৫ ১০:১৫:২০ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৮-১২-২০২৫ ১০:১৫:২০ অপরাহ্ন
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ঢাকা। বাংলাদেশ সরকার একে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর’ হিসেবে বর্ণনা করে এই ধরনের অপপ্রচার থেকে ভারতীয় পক্ষকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এস এম মাহবুবুল আলম স্পষ্ট করেন যে, বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনাকে পরিকল্পিতভাবে সাম্প্রদায়িক নিপীড়ন হিসেবে রং চড়ানো হচ্ছে, যা দুই দেশের সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর।
 
বিবৃতিতে জানানো হয়, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের বক্তব্য বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যকে ভুলভাবে উপস্থাপন করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দৃঢ়তার সাথে জানায় যে, দেশের বাস্তব পরিস্থিতিকে বিকৃত করে অতিরঞ্জিত বা বানোয়াট তথ্য ছড়ানো বাংলাদেশ সরকার কোনোভাবেই মেনে নেবে না। বিশেষ করে, কিছু নির্দিষ্ট মহল উদ্দেশ্যমূলকভাবে সাধারণ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর পদ্ধতিগত নির্যাতন হিসেবে প্রচার করার চেষ্টা চালাচ্ছে, যা দুঃখজনক।
 
মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করে যে, এই ধরনের মিথ্যা বয়ান ব্যবহার করে ভারতে বাংলাদেশবিরোধী উগ্র মনোভাব উসকে দেওয়া হচ্ছে। যার নেতিবাচক প্রভাব হিসেবে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন ও অন্যান্য স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, ভারতের পক্ষ থেকে উল্লিখিত একটি ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়ে ঢাকা জানায়, সংশ্লিষ্ট ওই ব্যক্তি একজন তালিকাভুক্ত অপরাধী ছিলেন। চাঁদাবাজির সময় তার মৃত্যু হয় এবং তার সাথে থাকা মুসলিম সহযোগীকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনাকে সংখ্যালঘু নির্যাতনের রূপ দেওয়া সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর ও বাস্তবতাবিরোধী। বাংলাদেশ সরকার মনে করে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা ও বন্ধুত্বের পথকে বাধাগ্রস্ত করে। (সূত্র: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ)।

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]