নিরাপত্তা ঝুঁকিতে জুলাই যোদ্ধা ও শীর্ষ রাজনীতিকরা: নাহিদ-হাসনাতসহ ১২ জনের জন্য বিশেষ সুরক্ষা

আপলোড সময় : ২২-১২-২০২৫ ০৯:৩৪:৪৬ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২২-১২-২০২৫ ০৯:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন
শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পর দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জুলাই আন্দোলনের সম্মুখসারির যোদ্ধা, সমন্বয়ক এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। গোয়েন্দা তথ্যে জীবনের ঝুঁকি ও ক্রমাগত হুমকির বিষয়টি উঠে আসায় প্রাথমিক পর্যায়ে ১২ জন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে সশস্ত্র দেহরক্ষী বা গানম্যান প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে এসব নেতৃবৃন্দের অনুকূলে ব্যক্তিগত অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়টিও বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
 
নিরাপত্তা নিশ্চিতের এই তালিকায় রয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টি
র (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম। গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর থেকেই নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কর্মী ও বিদেশে পলাতক শক্তির পক্ষ থেকে তাদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলির ঘটনার পর সরকার এই উপলব্ধি থেকে দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে।
 
রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রধান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ইতোমধ্যে ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য আবেদন করেছেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকি, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তানভির আহমেদ রবিন, জাফির তুহিন, সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এবং এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদসহ আরও কয়েকজনকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে গানম্যান ও অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া শহীদ ওসমান হাদির পরিবারকেও বিশেষ নিরাপত্তার আওতায় এনে তার এক বোনকে গানম্যান ও অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে।
 
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম জানিয়েছেন, যারা অতিরিক্ত নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছেন, তাদের জন্য একজন করে সশস্ত্র রক্ষী নিয়োগ করা হয়েছে এবং অন্যদের নিরাপত্তা বিষয়ক প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, চাহিদার তুলনায় জনবল সীমাবদ্ধতা থাকলেও যাদের ক্ষেত্রে ‘পটেনশিয়াল থ্রেট’ বা সুনির্দিষ্ট হামলার আশঙ্কা রয়েছে, তাদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। অতিরিক্ত আইজিপি খোন্দকার রফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন যে, সংশ্লিষ্ট জেলার এসপি ও মেট্রোপলিটন কমিশনারদের ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]