মোদি-অমিত শাহর পদত্যাগ দাবি খাড়গের: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় বড় ধাক্কা খেলো ইডি

আপলোড সময় : ১৮-১২-২০২৫ ০১:১৩:৫৫ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ১৮-১২-২০২৫ ০১:১৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে বহুল আলোচিত ‘ন্যাশনাল হেরাল্ড’ মামলায় বড় ধরনের স্বস্তি পেলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) দিল্লির একটি আদালত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) এর জমা দেওয়া চার্জশিট গ্রহণ করতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়েছে। আদালতের এই পর্যবেক্ষণকে বর্তমান বিজেপি সরকারের জন্য বড় পরাজয় হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করেছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে।
 
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে খাড়গে বলেন, ‘দিল্লি আদালতের এই রায় মোদি ও অমিত শাহের গালে একটি বড় চপেটাঘাত। তারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিরোধী নেতাদের হেনস্তা করছেন। ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষকে যেন এমন হয়রানি হতে না হয়, সেই নৈতিক দায়বদ্ধতা থেকে তাদের পদত্যাগ করা উচিত।’ তিনি অভিযোগ করেন, গত এক দশক ধরে শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই সোনিয়া ও রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে এই মিথ্যা মামলাটি জিইয়ে রাখা হয়েছে।
 
আদালতের রায়ে ইডির আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিশেষ জজ বিশাল গোগনে তার পর্যবেক্ষণে জানান, এফআইআর (FIR) ছাড়া কেবল ব্যক্তিগত অভিযোগের ভিত্তিতে অর্থ পাচারের (Money Laundering) মামলা শুরু করা আইনসম্মত নয়। আদালত আরও জানায়, ইডির এই পদক্ষেপ পিএমএলএ (PMLA) আইনের সীমা অতিক্রম করেছে এবং চার্জশিটটি বিচারিক স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য নয়। আদালতের এমন কঠোর অবস্থানে কংগ্রেস শিবিরে আনন্দের জোয়ার বইছে এবং খাড়গে একে ‘সত্যের জয়’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
 
উল্লেখ্য, ১৯৩৮ সালে জওহরলাল নেহরু প্রতিষ্ঠিত ‘ন্যাশনাল হেরাল্ড’ সংবাদপত্রের মালিকানা হস্তান্তর ও দেনা পরিশোধ নিয়ে ২০১৩ সালে প্রথম দুর্নীতির অভিযোগ আনেন বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। ২০১৪ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর এই মামলাটি নতুন গতি পায়। অভিযোগ ছিল, সংবাদপত্রটির পরিচালনাকারী সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেডের ৯০ কোটি টাকা দেনা কংগ্রেসের তহবিলের মাধ্যমে পরিশোধে অনিয়ম হয়েছে। তবে আদালতের সর্বশেষ রায়ে ইডির দাবিগুলো নাকচ হয়ে যাওয়ায় মোদি সরকারের ‘অস্ত্র’ হিসেবে ইডি ব্যবহারের অভিযোগটি আরও জোরালো হলো।

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]