ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করলেন ট্রাম্প, ছয় দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা

আপলোড সময় : ১৭-১২-২০২৫ ১০:১০:৩০ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ১৮-১২-২০২৫ ১২:৫৭:৪০ পূর্বাহ্ন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার তালিকা আরও সম্প্রসারণ করে অতিরিক্ত ছয়টি দেশের নাগরিকদের ওপর সম্পূর্ণ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। নতুন এই সিদ্ধান্তের আওতায় সিরিয়ার পাশাপাশি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ইস্যু করা ভ্রমণ নথিপত্রধারীরাও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ হারাচ্ছেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অভিবাসন ব্যবস্থা আরও কঠোর ও নিয়ন্ত্রিত করার লক্ষ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ সংক্রান্ত একটি প্রোক্লামেশনেও স্বাক্ষর করেছেন। এটি তার দীর্ঘদিনের কঠোর অভিবাসন নীতির ধারাবাহিক অংশ বলে উল্লেখ করা হয়।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডের তথ্য অনুযায়ী, নতুন করে যেসব দেশের নাগরিকদের ওপর সম্পূর্ণ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে সেগুলো হলো—বুরকিনা ফাসো, মালি, নাইজার, দক্ষিণ সুদান ও সিরিয়া। এ ছাড়া ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ইস্যু করা ভ্রমণ নথিপত্রধারীদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। এর ফলে ইতোমধ্যে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা দেশের সংখ্যা আরও বেড়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে বিদেশি নাগরিকদের প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ জরুরি। তবে নতুন এই নিষেধাজ্ঞা কতদিন কার্যকর থাকবে কিংবা বিশেষ পরিস্থিতিতে কোনো ছাড় দেওয়া হবে কি না—সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানায়নি হোয়াইট হাউস।

এর আগে চলতি বছরের জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে ১২টি দেশের নাগরিকদের ওপর সম্পূর্ণ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। ওই তালিকায় ছিল আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান ও ইয়েমেন। একই সঙ্গে বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান ও ভেনেজুয়েলার নাগরিকদের ওপর আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

সে সময় নির্বাহী আদেশ জারির ব্যাখ্যায় ট্রাম্প বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা ও নাগরিকদের স্বার্থ রক্ষা করা তার দায়িত্ব, আর বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় দেশটির নিরাপত্তা আগের চেয়ে বেশি হুমকির মুখে রয়েছে। অতীতেও ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া এ ধরনের সিদ্ধান্ত মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনা ও আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বরাবরই এসব পদক্ষেপকে আইনসম্মত ও প্রয়োজনীয় বলে দাবি করা হয়েছে।

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]