পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর প্রধান সতর্ক করে বলেছেন, রাশিয়া আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই জোটের কোনো সদস্য দেশে সামরিক আক্রমণ চালাতে পারে। জার্মানির বার্লিনে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি জানান, রাশিয়ার গোপন কার্যক্রম ইতিমধ্যেই বেড়েছে এবং ইউরোপকে এমন এক সংঘাতের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, যার অভিজ্ঞতা ছিল তাদের পূর্ববর্তী প্রজন্মের।
ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটের এই বক্তব্য পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়নের সঙ্গে মিল রয়েছে। তাদের মতে, রাশিয়ার আগ্রাসী নীতি ইউরোপীয় নিরাপত্তার জন্য নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে। তবে মস্কো এসব সতর্কবার্তা সবসময় অস্বীকার করে আসছে এবং এগুলোকে অতিরঞ্জিত দাবি বলে মন্তব্য করে।
রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে চলমান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধের অবসান ঘটানোর উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এ পরিস্থিতির মধ্যেই চলতি মাসে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধ করার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। তবে ইউরোপ যদি সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে, রাশিয়া প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত।
ন্যাটো মহাসচিব বলেন, পুতিনের বক্তব্য বিশ্বাসযোগ্য নয়। ইউক্রেনকে সমর্থন দেওয়া ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য। তাঁর ভাষ্য—যদি ইউক্রেন রাশিয়ার দখলে চলে যায়, তবে রুশ বাহিনী ন্যাটোর দীর্ঘ সীমান্তজুড়ে চাপ সৃষ্টি করবে এবং এতে জোটভুক্ত দেশগুলোর ওপর আক্রমণের ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।