লোকসভায় অমিত শাহ–রাহুলের তীব্র বাগযুদ্ধ: ‘ভোটচোর’ মন্তব্যে কংগ্রেসের ওয়াকআউট

আপলোড সময় : ১১-১২-২০২৫ ০২:১৬:৫০ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ১১-১২-২০২৫ ০২:১৬:৫০ পূর্বাহ্ন

ভারতের সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায় নির্বাচনী সংস্কার নিয়ে আলোচনার সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়েছে। অমিত শাহ বিরোধীদের সমালোচনা করে বলেন, নেহরু–গান্ধী পরিবার বংশপরম্পরায় ‘ভোটচোর’। এই মন্তব্যের প্রতিবাদে কংগ্রেস ও জোটভুক্ত বিরোধীদলগুলো অধিবেশন ত্যাগ করে ওয়াকআউট করে।
 

অমিত শাহ অভিযোগ তোলেন, নির্বাচনে জয় পেলে বিরোধীরা ভোটার তালিকাকে নির্ভুল বলেন, কিন্তু পরাজয়ের পর তা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন—‘এই দ্বিমুখী রাজনীতি চলতে পারে না’। তিনি আরও দাবি করেন, নেহরু–গান্ধী পরিবারের রাজনৈতিক ইতিহাসেই ভোট জালিয়াতির উদাহরণ পাওয়া যায়। শাহ বলেন, স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের সময় সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল ২৮ ভোট পান এবং জওহরলাল নেহরু মাত্র দুই ভোট পেয়েও প্রধানমন্ত্রী হন—যা ছিল দেশের প্রথম ‘ভোট চুরি’।
 

এই বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে রাহুল গান্ধী অমিত শাহকে জবাব দিতে বলেন, কেন নির্বাচন কমিশনারদের দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো দায়মুক্তির আওতায় আনা হয়েছে। তিনি শাহকে এ বিষয়ে সরাসরি বিতর্কে আহ্বান জানান। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়ে নেহরু পরিবারকে পুনরায় আক্রমণ করেন।
 

অমিত শাহ আরও অভিযোগ তোলেন, ইন্দিরা গান্ধী তার নির্বাচনী এলাকার রায়বেরেলিতে ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ আড়াল করতে আদালতের রায় অগ্রাহ্য করে আইন পরিবর্তন করেছিলেন, যাতে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করা না যায়। তিনি সোনিয়া গান্ধীকেও অভিযুক্ত করে বলেন, নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই তিনি ভোট দিয়েছিলেন। কংগ্রেস সাংসদরা এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, শাহর বক্তব্য ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
 

বিতর্কের এক পর্যায়ে শাহ দাবি করেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার তালিকায় জায়গা করে দিতে বিরোধীরা ইভিএম ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে অযথা অভিযোগ তোলে। এর পরপরই কংগ্রেসসহ বিরোধী জোট ওয়াকআউট করে অধিবেশন বর্জন করে।

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]