রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারা মোড়ে একদফা দাবিতে বিক্ষোভে নেমেছেন মুঠোফোন ব্যবসায়ীরা। আজ বুধবার বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে শুরু হওয়া এই অবরোধে ব্যবসায়ীরা ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের পদত্যাগের দাবি জানান। এছাড়াও এনইআইআর (ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার) ব্যবস্থার সংস্কার, বাজারে একচেটিয়া সিন্ডিকেট প্রথা বিলোপ এবং উন্মুক্ত মোবাইল আমদানির সুযোগ সৃষ্টিসহ কয়েকটি দাবিতে তারা সড়ক অবরোধ করে টায়ারে আগুন ধরিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। অবরোধের ফলে সার্ক ফোয়ারা মোড় হয়ে চারপাশের রাস্তায় যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পুরো এলাকায় তীব্র যানজট ও চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।
তেজগাঁও অঞ্চলের সহকারী কমিশনার (এসি) মোহাম্মদ আক্কাছ নিশ্চিত করেছেন যে, মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা সার্ক ফোয়ারা মোড় অবরোধ করায় যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। পরিস্থিতি দ্রুতই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যেখানে বিক্ষোভকারীরা সড়কে টায়ার ও কাঠের ফালিতে আগুন ধরিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এসময় একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।
তেজগাঁও অঞ্চলের সহকারী কমিশনার (এসি) মোহাম্মদ আক্কাছ নিশ্চিত করেছেন যে, মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা সার্ক ফোয়ারা মোড় অবরোধ করায় যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। পরিস্থিতি দ্রুতই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যেখানে বিক্ষোভকারীরা সড়কে টায়ার ও কাঠের ফালিতে আগুন ধরিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এসময় একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।
ব্যবসায়ীদের এই একদফা আন্দোলনের মূল কারণ হলো, এনইআইআরের বর্তমান কাঠামো, বাজারে সিন্ডিকেট শক্তির মাত্রাতিরিক্ত প্রভাব এবং মোবাইল আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা। তাদের অভিযোগ, এই বিষয়গুলো তাদের ব্যবসাকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে।
অন্যদিকে, সরকার আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে এনইআইআর বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে। সরকারের ভাষ্যমতে, এই ব্যবস্থার আওতায় প্রতিটি মোবাইল নিবন্ধন বাধ্যতামূলক হবে এবং অবৈধ মোবাইল ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা সম্ভব হবে। সরকার বৈধ আমদানির ওপর শুল্ক কমানো এবং প্রবাসীদের ফোন আনার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধার কথাও জানিয়েছে। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই নীতিগুলো তাদের সমস্যার সমাধান করছে না।
সড়ক অবরোধের কারণে অফিস ফেরত মানুষ ও সাধারণ পথচারীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। এলাকায় দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানো হলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত পরিস্থিতি উত্তপ্ত ছিল।