দেশে বন্যপ্রাণি সংরক্ষণে জনসচেতনতার গুরুত্ব দিন দিন আরও বেড়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বনভূমির দ্রুত বিলুপ্তি, অবৈধ শিকার এবং পরিবেশ দূষণের চাপ বন্যপ্রাণির টিকে থাকার সম্ভাবনাকে গুরুতরভাবে হুমকির মুখে ফেলছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।
বন্যপ্রাণি সংরক্ষণ কেবল প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার অংশ নয়; এটি দেশের জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখার অন্যতম প্রধান উপাদান। বন বিভাগ ও পরিবেশ-সংরক্ষণকর্মীরা নিয়মিত মাঠপর্যায়ে ক্যাম্পেইন, শিক্ষামূলক আলোচনা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সমন্বিত কর্মসূচির মাধ্যমে বন্যপ্রাণি রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যক্তি পর্যায় থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা বাড়লে এই সংকট মোকাবিলা সহজ হবে। যেমন, বনাঞ্চলে প্লাস্টিক ও বর্জ্য কমানো, বনধ্বংস রোধে সহযোগিতা, এবং বন্যপ্রাণি সম্পর্কিত তথ্য প্রচার—এসব উদ্যোগ সামগ্রিকভাবে সংরক্ষণ কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে পারে।
নাগরিকদের অংশগ্রহণ বাড়লে অবৈধ শিকার ও বনভূমি ক্ষতির মতো চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যেতে পারে বলেও অভিমত বিশেষজ্ঞদের। তাই দেশের সবাইকে বন্যপ্রাণি সংরক্ষণে সচেতন হতে হবে।