সুদানের দক্ষিণ কুর্দোফান রাজ্যে র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) চালানো এক ড্রোন হামলায় শিশুসহ অন্তত ৭৯ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। নিহতদের বড় অংশই শিশু; পাশাপাশি আহত হয়েছেন আরও ৩৮ জন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, কলোজি শহরে এ হামলা বেসামরিক স্থাপনায় ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ ঘটিয়েছে।
রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবারের ওই হামলায় একটি ড্রোন চারটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, যা একটি কিন্ডারগার্টেন, একটি হাসপাতাল এবং ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় আঘাত হানে। নিহতদের মধ্যে চারজন নারীও রয়েছেন। প্রথমে আটজনের মৃত্যুর কথা জানা গেলেও পরে সংখ্যাটি ৭৯-এ পৌঁছায়। এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে রাজ্য সরকার এটিকে আরএসএফ-সমর্থিত সুদান পিপলস লিবারেশন মুভমেন্ট-নর্থের ‘নৃশংস অপরাধ’ বলে উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
ইউনিসেফ হামলাটিকে শিশু অধিকার লঙ্ঘনের ভয়াবহ উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করেছে। সংস্থাটি জানায়, নিহত শিশুদের মধ্যে অনেকের বয়স ৫ থেকে ৭ বছরের মধ্যে। ইউনিসেফের সুদান প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট বলেন, যুদ্ধের নিষ্ঠুরতার বোঝা কোনো শিশুকে বহন করতে দেওয়া উচিত নয় এবং অবিলম্বে সব হামলা বন্ধ করার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা নির্বিঘ্নে পৌঁছানোর সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।
নভেম্বরের শুরু থেকে কুর্দোফান অঞ্চলে সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হয়েছে। গত এক মাসে উত্তর ও দক্ষিণ কুর্দোফান থেকে ৪১ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ বাঁচাতে স্থানত্যাগ করেছে। হামলা নিয়ে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার লড়াইয়ে জড়িয়ে থাকা সুদানি সেনাবাহিনী ও আরএসএফ বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ ভাগাভাগি করে রেখেছে। দারফুরের পাঁচটি রাজ্য আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও উত্তরাঞ্চলের একটি অংশ সেনাবাহিনীর হাতে রয়েছে। অন্যদিকে দেশের দক্ষিণ, উত্তর, পূর্ব ও কেন্দ্রের বেশিরভাগ অঞ্চলে সেনাবাহিনী কর্তৃত্ব বজায় রেখেছে। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে চলমান এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৪০ হাজার মানুষ নিহত এবং প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে।
রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবারের ওই হামলায় একটি ড্রোন চারটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, যা একটি কিন্ডারগার্টেন, একটি হাসপাতাল এবং ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় আঘাত হানে। নিহতদের মধ্যে চারজন নারীও রয়েছেন। প্রথমে আটজনের মৃত্যুর কথা জানা গেলেও পরে সংখ্যাটি ৭৯-এ পৌঁছায়। এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে রাজ্য সরকার এটিকে আরএসএফ-সমর্থিত সুদান পিপলস লিবারেশন মুভমেন্ট-নর্থের ‘নৃশংস অপরাধ’ বলে উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
ইউনিসেফ হামলাটিকে শিশু অধিকার লঙ্ঘনের ভয়াবহ উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করেছে। সংস্থাটি জানায়, নিহত শিশুদের মধ্যে অনেকের বয়স ৫ থেকে ৭ বছরের মধ্যে। ইউনিসেফের সুদান প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট বলেন, যুদ্ধের নিষ্ঠুরতার বোঝা কোনো শিশুকে বহন করতে দেওয়া উচিত নয় এবং অবিলম্বে সব হামলা বন্ধ করার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা নির্বিঘ্নে পৌঁছানোর সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।
নভেম্বরের শুরু থেকে কুর্দোফান অঞ্চলে সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হয়েছে। গত এক মাসে উত্তর ও দক্ষিণ কুর্দোফান থেকে ৪১ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ বাঁচাতে স্থানত্যাগ করেছে। হামলা নিয়ে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার লড়াইয়ে জড়িয়ে থাকা সুদানি সেনাবাহিনী ও আরএসএফ বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ ভাগাভাগি করে রেখেছে। দারফুরের পাঁচটি রাজ্য আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও উত্তরাঞ্চলের একটি অংশ সেনাবাহিনীর হাতে রয়েছে। অন্যদিকে দেশের দক্ষিণ, উত্তর, পূর্ব ও কেন্দ্রের বেশিরভাগ অঞ্চলে সেনাবাহিনী কর্তৃত্ব বজায় রেখেছে। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে চলমান এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৪০ হাজার মানুষ নিহত এবং প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে।