ইসরায়েলকে পরবর্তী ইউরোভিশন সং কন্টেস্টে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আয়ারল্যান্ড, স্পেন, নেদারল্যান্ডস ও স্লোভেনিয়া ২০২৬ সালের প্রতিযোগিতা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে। গাজায় চলমান যুদ্ধ ও মানবিক সংকটকে কেন্দ্র করেই চারটি দেশ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সম্প্রচার সংস্থাগুলো।
গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলকে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়ার দাবি আগে থেকেই জানিয়ে আসছিল কয়েকটি দেশ। তবে আগামী বছর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অনুষ্ঠেয় ইউরোভিশনে ইসরায়েলকে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্ত ঘিরেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
স্পেনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা আরটিভিই জানিয়েছে, জেনেভায় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তারা বিষয়টি নিয়ে গোপন ভোট আয়োজনের প্রস্তাব দেয়। তবে আয়োজক কর্তৃপক্ষ সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেনি। স্প্যানিশ সংস্থাটি বলেছে, এই সিদ্ধান্ত উৎসবের আয়োজকদের প্রতি তাদের আস্থাহীনতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
আয়ারল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা আরটিই জানিয়েছে, গাজায় ব্যাপক প্রাণহানি এবং ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতির কারণেই তারা প্রতিযোগিতায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অন্যদিকে, স্লোভেনিয়া জানিয়েছে, গাজায় নিহত প্রায় ২০ হাজার শিশুর স্মরণেই তারা এই প্রতিবাদমূলক অবস্থান নিয়েছে।
এদিকে, স্পেনের আরটিভিই আগেই জানায়, গত সেপ্টেম্বর তাদের পরিচালনা পর্ষদ সিদ্ধান্ত নেয়—ইসরায়েল প্রতিযোগিতায় থাকলে স্পেন ইউরোভিশন থেকে সরে দাঁড়াবে। সেই সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন হিসেবেই এবারের বয়কট ঘোষণা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজায় সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। খাদ্যসংকট ও হামলার আতঙ্কে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবারও একটি সীমান্ত এলাকা অতিক্রমের অভিযোগে গুলি চালানো হলে একাধিক ব্যক্তি আহত হন। সূত্র: আল-জাজিরা।
গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলকে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়ার দাবি আগে থেকেই জানিয়ে আসছিল কয়েকটি দেশ। তবে আগামী বছর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অনুষ্ঠেয় ইউরোভিশনে ইসরায়েলকে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্ত ঘিরেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
স্পেনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা আরটিভিই জানিয়েছে, জেনেভায় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তারা বিষয়টি নিয়ে গোপন ভোট আয়োজনের প্রস্তাব দেয়। তবে আয়োজক কর্তৃপক্ষ সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেনি। স্প্যানিশ সংস্থাটি বলেছে, এই সিদ্ধান্ত উৎসবের আয়োজকদের প্রতি তাদের আস্থাহীনতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
আয়ারল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা আরটিই জানিয়েছে, গাজায় ব্যাপক প্রাণহানি এবং ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতির কারণেই তারা প্রতিযোগিতায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অন্যদিকে, স্লোভেনিয়া জানিয়েছে, গাজায় নিহত প্রায় ২০ হাজার শিশুর স্মরণেই তারা এই প্রতিবাদমূলক অবস্থান নিয়েছে।
এদিকে, স্পেনের আরটিভিই আগেই জানায়, গত সেপ্টেম্বর তাদের পরিচালনা পর্ষদ সিদ্ধান্ত নেয়—ইসরায়েল প্রতিযোগিতায় থাকলে স্পেন ইউরোভিশন থেকে সরে দাঁড়াবে। সেই সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন হিসেবেই এবারের বয়কট ঘোষণা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজায় সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। খাদ্যসংকট ও হামলার আতঙ্কে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবারও একটি সীমান্ত এলাকা অতিক্রমের অভিযোগে গুলি চালানো হলে একাধিক ব্যক্তি আহত হন। সূত্র: আল-জাজিরা।