ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সতর্ক করে বলেছেন যে, চলমান মস্কো-শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারে। জার্মান সাময়িকী ডের স্পিগেল-এ প্রকাশিত ফাঁস হওয়া একটি ফোনালাপের ভিত্তিতে এই খবর প্রকাশিত হয়েছে। ফোনালাপে ম্যাক্রোঁ উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, জারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফ-এর শান্তি প্রস্তাবকে তিনি রাশিয়ার পক্ষে বেশি সুবিধাজনক মনে করেছেন। তিনি আশঙ্কা করেছেন যে, মার্কিন পক্ষ ইউক্রেনকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চয়তা না দিয়েই দেশটির কিছু ভূখণ্ড ছাড়ার চাপ দিতে পারে। যদিও ফরাসি প্রেসিডেন্টের দপ্তর পরে দাবি করেছে যে, তিনি ঠিক 'বিশ্বাসঘাতকতা' শব্দটি ব্যবহার করেননি, তবে আলোচনায় উপস্থিত জার্মানির ফ্রিডরিশ মের্ৎস, ফিনল্যান্ডের আলেকজান্ডার স্টাব এবং ন্যাটোর মার্ক রুটে সবাই জেলেনস্কিকে একা ফেলে না দেওয়ার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।
ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাতের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল পর্যায়ে, মস্কোর সঙ্গে শান্তি আলোচনার গতিপথ এবং সেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ব্যক্তিগত উদ্বেগ ফাঁস হয়েছে। জার্মান সাময়িকী ডের স্পিগেল-এ প্রকাশিত ফোনালাপের তথ্যে দেখা যায়, ম্যাক্রোঁ মনে করছেন হোয়াইট হাউসের সাবেক উপদেষ্টা জারেড কুশনার এবং স্টিভ উইটকফের দেওয়া শান্তি প্রস্তাব রাশিয়ার পক্ষকে বেশি সুবিধা এনে দেবে।
ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাতের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল পর্যায়ে, মস্কোর সঙ্গে শান্তি আলোচনার গতিপথ এবং সেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ব্যক্তিগত উদ্বেগ ফাঁস হয়েছে। জার্মান সাময়িকী ডের স্পিগেল-এ প্রকাশিত ফোনালাপের তথ্যে দেখা যায়, ম্যাক্রোঁ মনে করছেন হোয়াইট হাউসের সাবেক উপদেষ্টা জারেড কুশনার এবং স্টিভ উইটকফের দেওয়া শান্তি প্রস্তাব রাশিয়ার পক্ষকে বেশি সুবিধা এনে দেবে।
ম্যাক্রোঁর প্রধান আশঙ্কা হলো, যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত ইউক্রেনের কিছু ভূখণ্ড রাশিয়ার অনুকূলে ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে পারে, বিনিময়ে ইউক্রেনের জন্য কোনো শক্ত নিরাপত্তা নিশ্চয়তা বা গ্যারান্টি না-ও দিতে পারে। এই ধরনের পদক্ষেপ ইউক্রেনের জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে এবং রাশিয়াকে তার সামরিক লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করতে পারে বলে তিনি মনে করছেন। এই প্রসঙ্গে ম্যাক্রোঁর 'বিশ্বাসঘাতকতা' শব্দটি ব্যবহারের বিষয়টি জার্মান সাময়য়িকীটি উল্লেখ করলেও, পরবর্তীতে ফরাসি প্রেসিডেন্টের দপ্তর সেই নির্দিষ্ট শব্দের ব্যবহার অস্বীকার করে জানায় যে, তিনি অন্য কোনো শব্দ ব্যবহার করেছিলেন।
গুরুত্বপূর্ণ এই আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন জার্মানির বিরোধী নেতা ফ্রিডরিশ মের্ৎস, ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার স্টাব এবং ন্যাটোর প্রধান মার্ক রুটে। ম্যাক্রোঁর উদ্বেগ শোনার পর তারা সবাই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে এই কঠিন সময়ে একা ফেলে না দেওয়ার বিষয়ে ঐকমত্য প্রকাশ করেন। পশ্চিমা দেশগুলোর এই শীর্ষ নেতাদের মধ্যে ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন ধরে রাখা এবং শান্তি আলোচনার নামে মস্কোর কাছে নতি স্বীকার না করার বিষয়ে দৃঢ় অবস্থান বজায় রাখার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এই ফাঁস হওয়া তথ্য কূটনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং ইউক্রেন সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জটিলতা ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে কৌশলগত মতভেদকে জনসমক্ষে এনে দিয়েছে।