প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে এবং এটিই 'নতুন বাংলাদেশের' দ্বার খুলে দেবে। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত সব জেলার পুলিশ সুপারদের (এসপি) সঙ্গে নির্বাচনকালীন দায়িত্ব, মাঠপর্যায়ের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে এক বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি এসপিদের এই নতুন পথচলার 'ধাত্রীর' ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান। প্রধান উপদেষ্টা জোর দিয়ে বলেন, অতীতের নির্বাচন নিয়ে যে 'প্রহসন বা প্রতারণার' ধারণা রয়েছে, এই নির্বাচনের মাধ্যমে তা বদলে দিতে হবে এবং প্রমাণ করতে হবে যে পরিবর্তন সম্ভব। নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতেই দ্বৈবচয়নের (এলোমেলো নির্বাচন) মাধ্যমে এসপি নিয়োগ করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
গণঅভ্যুত্থানের পরপর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বৃহস্পতিবার সকালে এসপিদের সঙ্গে বৈঠকে বলেন, এই নির্বাচন কেবল পাঁচ বছর পরপর হওয়া নিয়মিত প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি দেশের ভবিষ্যৎ কাঠামো তৈরির ভিত্তি স্থাপন করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন সমাজ গঠনে এই নির্বাচনই 'বিল্ডিং কোড' বা মজবুত ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে, যা যুগের পর যুগ অটুট থাকবে।
গণঅভ্যুত্থানের পরপর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বৃহস্পতিবার সকালে এসপিদের সঙ্গে বৈঠকে বলেন, এই নির্বাচন কেবল পাঁচ বছর পরপর হওয়া নিয়মিত প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি দেশের ভবিষ্যৎ কাঠামো তৈরির ভিত্তি স্থাপন করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন সমাজ গঠনে এই নির্বাচনই 'বিল্ডিং কোড' বা মজবুত ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে, যা যুগের পর যুগ অটুট থাকবে।
প্রধান উপদেষ্টা মনে করিয়ে দেন যে, এই পরিবর্তনের যাত্রা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘটবে না; এর জন্য সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের, বিশেষ করে এসপিদের, সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। এসপিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, অতীতের নির্বাচন নিয়ে থাকা নেতিবাচক ধারণা দূর করে এই নির্বাচনকে বিশ্বমঞ্চে উদাহরণ হিসেবে উপস্থাপন করতে হবে—যেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা একে 'স্মরণীয় নির্বাচন' হিসেবে উল্লেখ করতে পারেন।
তিনি এসপি নিয়োগে দ্বৈবচয়নের পদ্ধতি গ্রহণের কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, এর মূল লক্ষ্য ছিল পক্ষপাতহীনতা নিশ্চিত করা, যাতে কেউ মনে না করে বিশেষ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী দেখে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যেখানে যার নাম্বার পড়েছে, সেখানে গিয়ে দায়িত্ব পালনের এই নীতিটি চ্যালেঞ্জ তৈরি করলেও ইতিহাস গড়ার সুযোগ এনে দিয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা গণঅভ্যুত্থনে শহীদ শাহরিয়ার খান আনাসের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন। তিনি এসপিদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, "তোমাদের কর্মস্থলে যাওয়ার আগে যেন সেই চিঠিটা চোখের সামনে থাকে। সেটিই দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তুলবে।"
তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে নতুন বাংলাদেশ গঠনের যাত্রা এই নির্বাচনের মাধ্যমেই শুরু হবে এবং এই জন্ম প্রক্রিয়াকে সফল করতে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। তার ভাষায়, "তোমাদের হাতেই নতুন বাংলাদেশের প্রথম পদক্ষেপ।"