জার্মানির সশস্ত্র বাহিনী বুন্ডেসভেয়ারের (Bundeswehr) প্রায় ২০,০০০ রাউন্ড গোলাবারুদ চুরি হয়েছে একটি বেসামরিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ট্রাক থেকে। সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনের কঠোর নিয়ম ভঙ্গ করে ট্রাকচালক রাতের জন্য একটি অনিরাপদ পার্কিং লটে যানটি রেখে যাওয়ার পরই এই চুরির ঘটনা ঘটে। চুরি যাওয়া মালামালের মধ্যে ছিল বিপুল পরিমাণ লাইভ পিস্তল রাউন্ড এবং ফাঁকা অ্যাসল্ট রাইফেল রাউন্ড। সামরিক সূত্রগুলো এটিকে সাধারণ চুরি নয়, বরং পরিকল্পিত হামলা হিসেবে সন্দেহ করছে।
জার্মানির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চুরি হওয়া সামগ্রীর পরিমাণ অনেক বেশি এবং এর মধ্যে ছিল:
জার্মানির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চুরি হওয়া সামগ্রীর পরিমাণ অনেক বেশি এবং এর মধ্যে ছিল:
১০,০০০টি লাইভ পিস্তল রাউন্ড।
৯,৯০০টি ফাঁকা অ্যাসল্ট রাইফেল রাউন্ড।
পাশাপাশি কিছু ধোঁয়ার গ্রেনেডও চুরি হয়েছে।
সামরিক গোলাবারুদ পরিবহনের ক্ষেত্রে বুন্ডেসভেয়ারের কঠোর নিয়মাবলী রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, ট্রাককে অবশ্যই সবসময় নজরদারিতে রাখতে হবে এবং চালকের আসনে অবশ্যই দুইজন ব্যক্তি থাকতে হবে।
তবে এই ঘটনায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি সেই নিয়ম সরাসরি ভঙ্গ করেছে। ট্রাকচালক নির্ধারিত পথের বাইরে গিয়ে রাতে একটি অনিরাপদ হোটেলে থাকার সিদ্ধান্ত নেন এবং ট্রাকটিকে নজরদারিহীন অবস্থায় রেখে দেন। এই নিয়ম লঙ্ঘনের ফলেই চুরিটি সম্ভব হয়েছে।
এই ঘটনাকে সেনাবাহিনীর ভেতরের সূত্রগুলো সাধারণ চুরি হিসেবে দেখতে নারাজ। ডের স্পিগেলকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সামরিক সূত্রগুলো মনে করছে, গোলাবারুদ পরিবহনের এই সংবেদনশীল তথ্য আগেই নজরদারিতে ছিল। চালকের পরিকল্পনাবহির্ভূতভাবে হঠাৎ থামার সুযোগটি কাজে লাগিয়ে চোরেরা পরিকল্পিতভাবে এই চুরি করেছে।
এই ঘটনাকে সেনাবাহিনীর ভেতরের সূত্রগুলো সাধারণ চুরি হিসেবে দেখতে নারাজ। ডের স্পিগেলকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সামরিক সূত্রগুলো মনে করছে, গোলাবারুদ পরিবহনের এই সংবেদনশীল তথ্য আগেই নজরদারিতে ছিল। চালকের পরিকল্পনাবহির্ভূতভাবে হঠাৎ থামার সুযোগটি কাজে লাগিয়ে চোরেরা পরিকল্পিতভাবে এই চুরি করেছে।
এই বিপুল পরিমাণ সামরিক গোলাবারুদ ভুল হাতে চলে যাওয়ায় জার্মান নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। কর্তৃপক্ষ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে এবং চুরির সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।