ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডে প্রচণ্ড বন্যায় মৃতের সংখ্যা বাড়ছে, লক্ষাধিক ক্ষতিগ্রস্ত

আপলোড সময় : ৩০-১১-২০২৫ ০২:৪৩:০৯ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ৩০-১১-২০২৫ ০২:৪৫:২৯ পূর্বাহ্ন
ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা অঞ্চলে কয়েকদিন ধরে ভারী বর্ষণ, বন্যা এবং ভূমিধসের ফলে মৃতের সংখ্যা ৩০৩ জন ছাড়িয়েছে, আর প্রায় ৩০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। একই সময়ে, থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে বন্যায় ১৬২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে, যা অঞ্চলটির জন্য বড় একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে রূপ নিয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার প্রধান সুহারিয়ান্তো শনিবার জানিয়েছেন, এই করুণ পরিস্থিতিতে ৮০ হাজারের বেশি লোককে নিরাপদ আশ্রয়ে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বিশেষ করে উত্তর সুমাত্রার তাপনুলি থেকে সিবোলগা পর্যন্ত সড়কে এখনো যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় উদ্ধার কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। ভূমিধসের কারণে সড়কে থাকা ধ্বংসাবশেষ সরানো হচ্ছে এবং আটকে পড়াদের জন্য খাদ্য ও জরুরি সামগ্রী সরবরাহের প্রয়োজন রয়েছে। রোববার থেকে সামরিক বাহিনী উদ্ধারকাজে আরও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, থাইল্যান্ডের দুর্যোগ প্রতিরোধ বিভাগ জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলের ১২টি প্রদেশে ব্যাপক বন্যার কারণে ১৪ লাখেরও বেশি পরিবার প্রভাবিত হয়েছে। এসব এলাকার ৩৮ লাখ মানুষ এই দুর্যোগের পক্ষপাতভোগী। থাই সরকারের মুখপাত্র সিরিপং এক সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করেছেন যে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সংখলা প্রদেশে অন্তত ১২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

উল্লেখযোগ্য যে, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডে নিরন্তর বর্ষণের পেছনে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব রয়েছে। শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে যেখানে গত এক সপ্তাহে প্রায় ১৫৩ জন মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ দুর্যোগগুলো দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে মানুষের জীবনমান ও নিরাপত্তা ব্যাপকভাবে বিপর্যস্ত করেছে।

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]