আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রাতের আঁধারে গুলি: আহত ২, চাঞ্চল্য শহরে

আপলোড সময় : ২৭-১১-২০২৫ ১০:৫৯:৩১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৭-১১-২০২৫ ১০:৫৯:৩১ অপরাহ্ন
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার কান্দিপাড়ায় 'আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে' দুজনকে গুলি করার ঘটনা ঘটেছে। রাত পৌনে ৭টার দিকে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় শহরের বাসিন্দা টুটুল মিয়া ও শিহাব উদ্দিন গুলিবিদ্ধ হয়ে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আহতদের পায়ে রাবার বুলেটসহ একাধিক গুলির চিহ্ন থাকলেও তারা বর্তমানে শঙ্কামুক্ত। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং প্রাথমিকভাবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ওসি মো. আজহারুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটের দিকে পৌর এলাকার কান্দিপাড়ায় মাদরাসা রোডে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় টুটুল মিয়া এবং শিহাব উদ্দিন নামে দুজন ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন। স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের দ্রুত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
 
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নূর ই আবেদীন সিফাত সাংবাদিকদের জানান, আহত দুজনের আঘাত গুরুতর হলেও তারা বর্তমানে শঙ্কামুক্ত। টুটুল মিয়ার পায়ে প্রায় ২০ থেকে ২৫টি রাবার বুলেট এবং শিহাব উদ্দিনের হাত-পায়ে কয়েকটি গুলির চিহ্ন রয়েছে।
আহত টুটুল মিয়া অভিযোগ করেন, কান্দিপাড়ার মাদরাসা রোডে পপুলার প্রেসের সামনে তিনি চা পান করার সময় শাকিল নামের এক ব্যক্তি তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। টুটুলের ডান পায়ে ছররা গুলি লাগে এবং পাশে থাকা শিহাব উদ্দিনও আহত হন। টুটুল মিয়া আরও অভিযোগ করেন, শাকিলের অপকর্মের প্রতিবাদ করার কারণেই সে এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে।
 
আহত শিহাব উদ্দিন জানান, তিনি টুটুল মিয়ার পাশেই দাঁড়িয়ে ঝালমুড়ি খাচ্ছিলেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তার হাতে ও পায়ে গুলি লাগে। কী ঘটেছে জানতে এগিয়ে গেলে ওই ব্যক্তি তাকেও লক্ষ্য করে গুলি করতে উদ্যত হয়।
 
তবে অভিযুক্ত শাকিল তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, চোরাচালান পণ্য নিয়ে আহতদের নিজেদের মধ্যে গোলাগুলি হয়।
অন্যদিকে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ওসি আজহারুল ইসলাম প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে জানান, আধিপত্য বিস্তার নিয়েই এই ঘটনা ঘটেছে বলে তারা জানতে পেরেছেন। তবে ঘটনার নেপথ্যে প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের চিহ্নিত করার জন্য পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চলছে।

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]