বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর পাইলট ও টেকনিক্যাল স্টাফরা ১৯৭১ সালের পর প্রথমবার পাকিস্তানে উন্নত যুদ্ধবিমান প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ফাইটার কনভার্শন, এরিয়াল ট্যাকটিকস ও বিমান রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে, যা সামরিক সক্ষমতা ও যুদ্ধ-প্রস্তুতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান এবং পাকিস্তান বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল জাহির আহমেদ বাবর সিদ্দু প্রশিক্ষণ সহযোগিতা নিয়ে নীতিগত সম্মতিতে পৌঁছান। ইসলামাবাদের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, প্রশিক্ষণ মডিউল চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং চলতি অর্থবছরের মধ্যেই প্রথম ব্যাচের বাংলাদেশি পাইলটরা পাকিস্তানের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যোগ দিতে পারবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই উদ্যোগ বাংলাদেশের বিমানবাহিনীর সামগ্রিক যুদ্ধদক্ষতা ও আকাশসীমা রক্ষায় সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রাথমিক ব্যাচের সফল প্রশিক্ষণ শেষ হলে ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত ফ্লাইট অপারেশন ও কৌশলগত পরিকল্পনার সুযোগ তৈরি হবে।