যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে নতুন কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের পর সৌদি আরবকে ন্যাটোর বাইরের প্রধান মিত্র হিসেবে ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই পদক্ষেপ দুই দেশের সামরিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্ব বহন করছে।
হোয়াইট হাউসের দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস)–এর ওয়াশিংটন সফরের সময় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে একাধিক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এসব চুক্তির মধ্যে রয়েছে বেসামরিক পারমাণবিক শক্তি ও প্রতিরক্ষা খাতে যৌথ ঘোষণা, যা আগামী কয়েক দশক ধরে বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার আইনি ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
সৌদি আরবকে ন্যাটোর বাইরের প্রধান মিত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নীতি সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ট্রাম্প বলেন, “আমরা দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে আরও গভীর করছি। সৌদি আরবের জন্য এটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।”
স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এই নতুন কৌশলগত অংশীদারিত্ব দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা ও সামরিক সহযোগিতা দৃঢ় করবে। এছাড়া, সৌদি ক্রাউন প্রিন্সের সফরের সময় এফ–৩৫ যুদ্ধবিমানসহ নতুন অস্ত্র বিক্রয় চুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, সব সহযোগিতা আন্তর্জাতিক নন-প্রলিফারেশন নীতি মেনে বাস্তবায়িত হবে।